প্রেমের অগ্নিপরিক্ষা Part 1 - কলেজে আবির আর স্নেহার প্রথম দেখা ❤️ 😂 😮 😢
Writer Husain Ahmed ❤️ 😂 😮 😢
এই স্নেহা ওঠ তারাতাড়ি কলেজে যেতে হবে ওঠ আজ কলেজে তোর প্রথম দিন। ❤️ 😂 😮 😢
স্নেহাঃ এখন ডাকছো কেন মা কয়টা বাজে। ❤️ 😂 😮 😢
অরুনিমাঃ দশটা বাজতে চললো ওঠ তারাতাড়ি। ❤️ 😂 😮 😢
স্নেহাঃ উঠছি বলেই স্নেহা উঠে ওয়াশরুমে গিয়ে তারাতারি হাত মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে নিলো তারপর টাওয়াল দিয়ে মুখ মুছে নিয়ে রুমে এসে ড্রেস চেঞ্জ করে একটা লাল কালারের সুন্দর দেখতে সালোয়ার কামিজ আর লাল ওড়না পরলো তারপর ব্যাগ গুছিয়ে ব্যাগ কাধে নিয়ে ডাইনিং টেবিলে চলে আসলো খেতে। ❤️ 😂 😮 😢
স্নেহা হলো গল্পের নায়িকা পুরো নাম স্নেহা বিশ্বাস। স্নেহা দেখতে খুব সুন্দরী। সাদা ধবধবে ফর্সা স্নেহাকে দেখতে। স্বভাবে সে খুব বুদ্ধিমতি। স্নেহা খুবই ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট। স্নেহা স্কুল টপার ছিলো। প্রত্যেকবার স্নেহা সবচেয়ে ভালো রেজাল্ট করে। স্নেহা কলকাতার সবচেয়ে ভালো কলেজে চান্স পেয়েছে। স্নেহা কলেজে এডমিশন নিয়ে নিয়েছে তাই সে আজ ক্লাস করতে প্রথমবার কলেজ যাচ্ছে। আজ থেকেই স্নেহার কলেজে ক্লাস শুরু হবে। ❤️ 😂 😮 😢
অরুনিমা আগে থেকেই ডাইনিং টেবিলে খাবার সাজিয়ে স্নেহার জন্য ওয়েট করছিলো কারন সে জানে তার মেয়ের ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়। ❤️ 😂 😮 😢
স্নেহাঃ গুড মর্নিং মা। ❤️ 😂 😮 😢
অরুনিমাঃ গুড মর্নিং। এখন জলদি খেয়ে কলেজ চলে যা। ❤️ 😂 😮 😢
স্নেহাঃ এতো তাড়া দিচ্ছো কেন তুমি। ❤️ 😂 😮 😢
অরুনিমাঃ তাড়া দেবো না মানে আজ তোর কলেজে প্রথম দিন। প্রথম দিন কি কেউ লেট করে। এরপর কলেজে গিয়ে তোর ক্লাস চিনতে তো আরও দেরি হয়ে যাবে। ❤️ 😂 😮 😢
স্নেহাঃ জানি জানি আর বলতে হবে না। চিন্তা করো না সাড়ে দশটায় ক্লাস শুরু হবে আর আমি সময় মতো ঠিকই ক্লাস চিনে নিতে পারবো সো ডোন্ট ওয়ারি। ❤️ 😂 😮 😢
অরুনিমাঃ ঠিক আছে এখন খা আর খেয়ে কলেজ যা। ❤️ 😂 😮 😢
স্নেহাঃ ওকে। ❤️ 😂 😮 😢
তারপর স্নেহা ভাত আর বোয়াল মাছ খেয়ে তারাতাড়ি কলেজে চলে গেলো। ❤️ 😂 😮 😢
কলেজে গিয়ে স্নেহা ভেতরের দৃশ্য দেখে স্নেহা অবাক হয়ে গেলো বাহ কলেজের ভেতরটা খুব সুন্দর। তারপর স্নেহা সিড়ির দিকে গিয়ে সিড়িতে উঠতে উঠতে যেতেই একটি ছেলের সাথে জোরে ধাক্কা লাগলো আর স্নেহা পরে যেতে গেলে ছেলেটি তার দুহাতে সযত্নে স্নেহাকে ধরে ফেললো। সেই ছেলেটি অপলক দৃষ্টিতে স্নেহার দিকে তাকিয়ে আছে সেই ছেলেটা হলো গল্পের নায়ক নাম আবির চৌধুরি দেখতে খুব হ্যান্ডসাম গুড লুকিং এবং দারুন ড্যাশিং কলেজের সব মেয়েদের ক্রাশ। আবিরের দিক থেকে কোনো মেয়ে চোখ সরাতে পারেনা। কিন্তু আবির কাউকে তেমন পাত্তা দেয় না কারন সে এখনো তার মনের মেয়েকে এখনো পায়নি কিন্তু আজ সে স্নেহার দিকে তাকিয়ে আছে আর ভাবছে এই সে তার মনের মেয়ে কি সুন্দর দেখতে মেয়েটাকে। হঠাত একটা ধাক্কায় আবিরের হুশ ফিরলো। ❤️ 😂 😮 😢
স্নেহাঃ এই যে মিস্টার আপনি আমাক ধরে ছিলেন কেন আর মেয়েদের দেখলেই ধরতে ইচ্ছা হয় তাই না। ❤️ 😂 😮 😢
আবিরঃ এই যে মিস তোমাকে ধরার আমার কোনো শখ নেই আমি যদি তোমাকে না ধরতাম তাহলে তুমি পড়ে যেতে আমি তোমাকে সাহায্য করলাম আর তুমি আমাকেই কথা শোনাচ্ছো। এই জন্য কারোর ভালো করতে নেই। ❤️ 😂 😮 😢
স্নেহাঃ সরি আসলে আমি একটু রেগে গিয়েছিলাম। আপনি আমাকে সাহায্য করলেন আর আমি আপনাকে অপমান করলাম। সরি এন্ড থ্যাংক ইউ। ❤️ 😂 😮 😢
আবিরঃ বাই দা ওয়ে আমার নাম আবির চৌধুরী আর তোমার নাম। ❤️ 😂 😮 😢
স্নেহাঃ আমার নাম স্নেহা বিশ্বাস। ❤️ 😂 😮 😢
আবিরঃ খুব সুন্দর নাম। তোমাকে তো এই কলেজে আগে কখনো দেখিনি। তুমি কি এই কলেজে নতুন। ❤️ 😂 😮 😢
স্নেহাঃ হ্যা আমি নতুন। আমি ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে ভর্তি হয়েছি। আচ্ছা আমি এখন ক্লাসে যাচ্ছি। (মুচকি হেসে) ❤️ 😂 😮 😢
এমন সময় আবিরের বন্ধু শুভ সেখানে চলে আসে আর ওদের দেখে ফেলে। ❤️ 😂 😮 😢
স্নেহা আবিরের পাশ দিয়ে চলে যাওয়ার সময় ওর লাল ওড়নাটা আবিরের মুখে টাচ করে চলে যায় আর আবির স্নেহার ওড়নার সুগন্ধে মাতোয়ারা হয়ে ওঠে। আবির এক দৃষ্টিতে স্নেহার চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে আছে আর মুচকি মুচকি হাসছে। ❤️ 😂 😮 😢
শুভ আবিরের দিকে এগিয়ে এসে বলে ওঠে। ❤️ 😂 😮 😢
শুভঃ কে রে মেয়েটা আর তুই ওর দিকে ওইভাবে তাকিয়ে আছিস কেন। কি রে মেয়েটার প্রেমে পড়ে গেলি নাকি আর তুই তো কোনো মেয়েকে পাত্তাই দিস না তাহলে এই মেয়েকে পাত্তা দিচ্ছিস কেন। ❤️ 😂 😮 😢
আবিরঃ কারন আমি এই মেয়েটার প্রেমে পড়ে গেছি রে ভাই। (বুকের বাম পাশে হাত দিয়ে) ❤️ 😂 😮 😢
শুভঃ তাহলে তোর দিওয়ানি মঞ্জুলিকার কি হবে রে ভাই সে জানতে পারলে যে কি করবে। ❤️ 😂 😮 😢
আবিরঃ মঞ্জুলিকা আমার ছোটবেলার বন্ধু আর জাস্ট ফ্রেন্ড আমি ওকে ভালোবাসি না বলেই আবির চলে গেলো। ❤️ 😂 😮 😢
অন্যদিকে স্নেহা ক্লাস চিনে তার ক্লাসে চলে আসলো। ক্লাসে এসে একটা বেঞ্চে বসলো আর তখনি দুইজন মেয়ে এসে স্নেহাকে বললো এই তুমি কি নতুন ছাত্রী। ❤️ 😂 😮 😢
স্নেহাঃ হ্যা। ❤️ 😂 😮 😢
তখন তারাও বললো আমরাও নতুন। আচ্ছা তোমার নাম কি। ❤️ 😂 😮 😢
স্নেহাঃ আমার নাম স্নেহা বিশ্বাস আর তোমাদের নাম। ❤️ 😂 😮 😢
তখন একজন বললো আমার নাম মায়া আর একজন বললো আমার নাম রিয়া। ❤️ 😂 😮 😢
মায়াঃ আচ্ছা আজ থেকে আমরা তাহলে ফ্রেন্ড। ❤️ 😂 😮 😢
স্নেহাঃ ঠিক আছে আমরা ফ্রেন্ড। ❤️ 😂 😮 😢
ঠিক তখনি ক্লাসে স্যার চলে আসলো আর ক্লাস শুরু হয়ে গেলো। ❤️ 😂 😮 😢
কলেজ ছুটি হলে সবাই ক্যান্টিনে চলে যায় কিন্তু স্নেহা একা একা ক্লাসে বসে ছিলো। মায়া স্নেহার কাছে এসে বললো। ❤️ 😂 😮 😢
মায়াঃ স্নেহা তুমি এখানে একা একা কি করছো চলো ক্যান্টিনে গিয়ে গল্প করি। ❤️ 😂 😮 😢
স্নেহাঃ চলো। ❤️ 😂 😮 😢
স্নেহা ক্যান্টিনে গিয়ে মায়া আর রিয়ার সাথে হেসে হেসে গল্প করছিলো ঠিক তখনি সেখান দিয়ে আবির যাচ্ছিলো আর স্নেহাকে দেখে থমকে যায় আর স্নেহাকে ঘোর লাগা দৃষ্টিতে দেখতে থাকে। আর সেখান থেকে কয়েকজন মেয়ে আবিরকে দেখে হাসছিলো। তখন আবির লজ্জা পেয়ে সেখান থেকে চলে যায়। তখন সেই শাকচুন্নি মঞ্জুলিকা আসে আর আবিরকে যেতে দেখে আবিরকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে। ❤️ 😂 😮 😢
মঞ্জুলিকাঃ আবির বেবি তুই এতক্ষন কোথায় ছিলিস আমি তোকে খুব মিস করছিলাম। আমি তোকে পাগলের মতো ভালোবাসি। ❤️ 😂 😮 😢
তখন আবির ওকে নিজের কাছ থেকে ছাড়িয়ে ওর দিকে ঘুরে তাকিয়ে বললো। ❤️ 😂 😮 😢
আবিরঃ কিন্তু আমি তোকে ভালোবাসিনা। তুই আমার ছোটবেলার বন্ধু জাস্ট ফ্রেন্ড এর থেকে বেশি কিছু না বলেই আবির চলে গেলো। ❤️ 😂 😮 😢
মঞ্জুলিকাঃ আমি যা চাই তা পেয়েই ছারি আমি যদি তোকে না পাই তাহলে তোকে কেরে নেবো তুই শুধু আমার শুধু আমার। ❤️ 😂 😮 😢
চলবে ❤️ 😂 😮 😢