প্রেমের অগ্নিপরিক্ষা (সব চেয়ে বড় প্রেমকাহিনি)

প্রেমের অগ্নিপরিক্ষা Part 3 - আবিরের প্রতি মঞ্জুলিকার অবসেশন

স্নেহারা সবাই মিলে পার্কে গিয়ে খুব মজা করলো এবং ঘুরাঘুরি করে বিকেলে বাসায় ফিরলো। আর এদিকে আবিরও ক্লাবে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে তারপর বাসায় ফিরলো আর নিজের রুমে চলে গেলো তখন তার মা রেবেকা চৌধুরি তাকে খেতে ডাকলো। ❤️ 😂 😮 😢

রেবেকাঃ আবির খেতে আয় তারাতাড়ি দেরি হয়ে যাচ্ছে। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ আসছি মা। ❤️ 😂 😮 😢

আবির হলো রেবেকা চৌধুরি আর আরমান চৌধুরির একমাত্র ছেলে। তাদের খুব আদরের। ছেলের খুশির জন্য তারা সব কিছু করতে পারে। আরমান চৌধুরী অনেক বড় বিজনেস ম্যান। কলকাতা শহরের কোটিপতি বিজনেস ম্যানদের মধ্যে একজন। তার খুব অহংকার সে মধ্যবিত্ত লোকেদের একদম পছন্দ করেন না। তবে রেবেকা চৌধুরী খুব ভালো মানুষ সে ধনী মধ্যবিত্ত গরীব সবাইকে পছন্দ করেন। ❤️ 😂 😮 😢

আবির নিচে নেমে ডাইনিং টেবিলে খেতে বসলো। তখন তার মা বললো। ❤️ 😂 😮 😢

রেবেকাঃ আবির একদিন পর তোর ড্যাড ফিরছে বিদেশ থেকে তুই তাকে পিক করতে যাবি। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ ওকে মা। ❤️ 😂 😮 😢

রেবেকাঃ আর তোর ড্যাড চাইছে তুই লেখাপড়া শেষ করে তুই তোর ড্যাডের বিজনেস জয়েন্ট কর। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ মা আমার এসব বিজনেস ভালো লাগেনা তুমি তো জানো। মা আমি নিজে কিছু হতে চায়। ❤️ 😂 😮 😢

রেবেকাঃ না আবির তোর ড্যাড শুনলে খুব রাগ করবে তুই তো জানিস তোর ড্যাড কত রাগি তিনি একবার যে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন তা থেকে কেউ নড়াতে পারে না। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ ঠিক আছে মা তোমরা যা বলবে তাই হবে তোমাদের জন্য আমি সবকিছু করতে পারি। ❤️ 😂 😮 😢

রেবেকাঃ ঠিক আছে এখন খেয়ে নে। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ ok বলে খেতে শুরু করলো। ❤️ 😂 😮 😢

খাওয়া শেষ করে আবির কিচেনের ফ্রিজ থেকে কোল্ড ড্রিংক বের করে নিয়ে ঘরে চলে গেলো। ঘরে গিয়ে বিছানায় শুয়ে কানে ইয়ারফোন নিয়ে গান শুনতে শুনতে কোল্ড ড্রিংক খেতে লাগলো। ❤️ 😂 😮 😢

তারপর রাতে আবির পড়ার টেবিলে বসে লেখাপড়া করে নিলো আর তারপর বিছানায় শুয়ে শুয়ে মোবাইলে স্নেহার ছবি সযত্নে দেখতে লাগলো যেটা ও আড়াল থেকে তুলেছে। সেই ছবিতে একটা কিস করে ছবিটি বুকে নিয়ে আবির ঘুমিয়ে পরলো। ❤️ 😂 😮 😢

আর এদিকে স্নেহাও আবিরের কথা ভাবতে ছিলো। ❤️ 😂 😮 😢

স্নেহাঃ এসব আমি কি ভাবছি কেন আবিরের কথা ভাবছি আমি আর আবিরকে নিয়ে ভাববো না। আমি কোনোদিন কোনো ছেলেকে পাত্তা দিই নি তাহলে আবিরকে কেন পাত্তা দেব। এসব ভাবতে ভাবতে স্নেহাও ঘুমের রাজ্যে পাড়ি দিলো৷ ❤️ 😂 😮 😢

সকালের মিষ্টি আলোয় আবিরের ঘুম ভাঙলো আবির খেয়াল করলো ও এখনো স্নেহার ছবি বুকে নিয়েই ঘুমিয়ে আছে। আবির তখন মুচকি মুচকি হাসলো। আবির তারাতাড়ি করে রেডি হয়ে ব্যাগ কাধে নিয়ে কলেজে যাওয়ার জন্য রওনা দিচ্ছিলো তখন তার মা তাকে ডাকলো। ❤️ 😂 😮 😢

রেবেকাঃ এতো তারাহুরো করে কোথায় যাচ্ছিস খেয়ে যা। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ মা আমি কলেজে যাচ্ছি আর আমি ক্যান্টিন থেকে কিছু খেয়ে নেবো বলেই আবির বাড়ি থেকে চলে গেলো। ❤️ 😂 😮 😢

রেবেকাঃ আমার ছেলে সবসময় কলেজ যেতে চায় আগে তো এতো কলেজ যেতে চাইতো না এখন কি হয়েছে। (একা একা) ❤️ 😂 😮 😢

আবির বাড়ির বাইরে এসে তার ফেবারিট লাল গাড়ি নিয়ে কলেজে যাওয়ার জন্য বেরিয়ে গেলো। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ আজ আমি তোমাকে নিজের মনের কথা বলবো স্নেহা কিন্তু তুমি আমাকে এক্সেপ্ট করবে তো। ❤️ 😂 😮 😢

আবির কলেজে এসে দেখলো স্নেহা এখনো কলেজে আসেনি তাই সে স্নেহার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলো। ❤️ 😂 😮 😢

কিছুক্ষণ পর স্নেহা কলেজে আসলো আর তখনি কয়েকজন কলেজের বাজে ছেলে স্নেহাকে বিরক্ত করতে লাগলো আর স্নেহার ওড়না ধরে টান দিতে লাগলো। স্নেহা তার ওড়না ছাড়ানোর চেষ্টা করছে। ❤️ 😂 😮 😢

স্নেহাঃ আপনাদের সাহস কি করে হয় আমার ওড়না ধরার বলে স্নেহা একটা ছেলেকে চর বসিয়ে দিলো। ❤️ 😂 😮 😢

আর সেই শয়তান ছেলেটা স্নেহার হাত ধরে টানাটানি করতে লাগলো আর এসব দেখে আবিরের তো রাগ উঠে গেলো। আবির গিয়ে ছেলেটার হাত মুচরে দিলো আর বলতে লাগলো ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ তোর সাহস কি করে হয় আমার স্নেহার গায়ে হাত দেওয়ার। এইহাত দিয়ে ধরেছিস না তুই এই হাত দিয়ে ধরেছিস না তোর এই হাত তো আমি শেষই করে ফেলবো বলে আবির আবার হাত মুচরে দিলো আর কিল ঘুষি মারতে লাগলো। মেরে মেরে ছেলেগুলোকে একদম আধমরা করে ফেলেছে। তখন কলেজের সবাই সেখানে চলে আসে আর এই দৃশ্য দেখতে লাগলো আর কেউ কেউ তো ভিডিও করতে লাগলো। সেখানে মঞ্জুলিকা আর আবিরের বন্ধু শুভও চলে আসলো আর এইদৃশ্য দেখে সবাই তো অবাক হয়ে গেছে। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ শুনে রাখ স্নেহাকে স্পর্শ করার অধিকার শুধু আমার কারণ স্নেহাকে আমি খুব ভালোবাসি আর এরপর থেকে স্নেহার দিকে চোখ তুলে তাকালে তোদের চোখ তুলে নেবো মাইন্ড ইট। ❤️ 😂 😮 😢

স্নেহা তো এসব শুনে অবাকের চরম সীমায় পৌছে গিয়েছে তার মুখ দিয়ে কোনো কথা বের হচ্ছে না আর মঞ্জুলিকা তো রাগে ফেটে যাচ্ছে। ❤️ 😂 😮 😢

মঞ্জুলিকাঃ আবির বেবি তুই এই মেয়েটাকে ভালোবাসিস। এই মেয়েটা তোকে আমার থেকে কেরে নেবে এটা আমি কিছুতেই হতে দেবো না আর এই মেয়েটাকে তো আমি কিছুতেই ছারবো না তুই শুধু আমার ছোটবেলা থেকে আমি তোকে ভালোবাসি। (মনে মনে ভাবল) ❤️ 😂 😮 😢

এদিকে শুভ এসে আবিরকে থামালো আর সেখান থেকে নিয়ে চলে গেলো। কিন্তু স্নেহা এখনো সেখানেই দাড়িয়ে আছে। স্নেহা তো অবাক হয়ে স্টিল ভাবে দাড়িয়ে থাকলো। ❤️ 😂 😮 😢

মায়া স্নেহার কাছে এসে বললোঃ স্নেহা তুই এখনো এখানে দাড়িয়ে আছিস চল ক্লাসে। ❤️ 😂 😮 😢

তখন স্নেহার ধ্যান ভাংলো আর স্নেহা মায়ার সাথে ক্লাসে চলে আসলো। ❤️ 😂 😮 😢

এদিকে আবির ক্যাম্পাসে দাড়িয়ে একা একা বলছে। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ জানিনা স্নেহা আমার ব্যাপারে কি ভাবলো আমি যে ওকে ভালোবাসি এই সত্যিটা এইভাবে ওর সামনে আসুক আমি এটা চায়নি আমি তো ওকে প্রপোজ করতে চেয়েছিলাম। ❤️ 😂 😮 😢

মঞ্জুলিকা আবিরের কাছে এসে বললোঃ আমি তোকে এতো বছর ধরে ভালোবাসলাম আর তুই ওই মেয়েটাকে ভালোবাসলি এইটা আমি মানতে পারবো না। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ দেখ এখন এসব কথা ভালো লাগছেনা আর আমি তোকে একজন বন্ধুর নজরে দেখি দয়া করে সেই জায়গাটাও হারাস না মঞ্জুলিকা। ❤️ 😂 😮 😢

মঞ্জুলিকাঃ আমি তোর বন্ধুত্ব না তোকে চাই। (রেগে চিৎকার করে) ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ তুই আমাকে কোনোদিন পাবি না। আমি শুধু স্নেহাকে ভালোবাসি। ❤️ 😂 😮 😢

তারপর আবির সেখান থেকে নিজের ক্লাসের দিকে চলে গেলো। ❤️ 😂 😮 😢

মঞ্জুলিকাঃ আমি তোকে অন্য কারোর হতে দেবো না আবির। তোর সাথে যদি কারোর বিয়ে হয় সেটা আমার সাথে হবে আর অন্য কারোর সাথে না। ❤️ 😂 😮 😢

চলবে ❤️ 😂 😮 😢

🎈🎈🎈🎈 ❤️ 😂 😮 😢

Advertisement
Ad Space Available
Previous Next
Join the Chapter Discussion
SPEED
18px
1.8