প্রেমের অগ্নিপরিক্ষা (সব চেয়ে বড় প্রেমকাহিনি)

প্রেমের অগ্নিপরিক্ষা Part 5 - স্নেহার জেলাসি।

আবির কলেজ শেষ করে বাড়িতে চলে আসে তখন তার মা রেবেকা বললো আজকে তোর ড্যাড আসছে তুই এয়ারপোর্ট থেকে পিক আপ করে নিস। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ ইয়েস মা। ❤️ 😂 😮 😢

রেবেকাঃ ঠিক আছে এখন খেতে আয়। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ আসছি মা বলে আবির খেতে চলে আসে তারপর বিকেলে আবির তার ড্যাডকে আনতে চলে গেলো। ❤️ 😂 😮 😢

আরমান চৌধুরি আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলো আবিরের জন্য। আবির এয়ারপোর্টে এসে তার ড্যাডের কাছে চলে আসলো তখন তার ড্যাড বললো ❤️ 😂 😮 😢

আরমানঃ হাই মাই সান হাও আর ইউ বেটা। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ আই এম ফাইন ড্যাড এন্ড ইউ। ❤️ 😂 😮 😢

আরমানঃ আই এম ফাইন টু বেটা। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ ড্যাড আমি তোমাকে খুব মিস করেছি এতদিন কেন আসোনি তুমি আর মাও খুব মিস করেছে। ❤️ 😂 😮 😢

আরমানঃ আমি জানি বেটা কিন্তু কি করি বলো বিজনেসের এতো কাজ ছিলো তারপরে দুইটা ডিল সাইন করে তারপর আসতে হয়েছে। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ ঠিক আছে কিন্তু মা অনেক রেগে আছে কিন্তু তোমার উপর। ❤️ 😂 😮 😢

আরমানঃ কোনো চিন্তা করো না তোমার মাকে আমি ঠিক মানিয়ে নেবো। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ ওকে চলো। ❤️ 😂 😮 😢

ওরা দুইজন গাড়িতে উঠে বাড়িতে চলে আসলো আর এদিকে তো রেবেকা চৌধুরী রাগী রাগী মুখ করে তাকিয়ে আছে আরমানের দিকে। ❤️ 😂 😮 😢

রেবেকাঃ এতদিন পরে মনে পরলো আমাকে। ❤️ 😂 😮 😢

আরমানঃ আমি কি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারি কিন্তু তুমি তো জানোই বিজনেসের কতো চাপ সবকিছু একা হাতে সামলাতে হয় আমায়। ❤️ 😂 😮 😢

রেবেকাঃ তাই বলে একটা ফোন করার সময় হয় না। ❤️ 😂 😮 😢

আরমানঃ আচ্ছা সরি বলে আরমান চৌধুরি একটা হীরের আংটি বের করলেন আর তা দেখে রেবেকা চৌধুরী খুব খুশি হলেন। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ আচ্ছা ড্যাড তোমাদের এই রোমান্স নিজের ঘরের জন্য বাচিয়ে রাখো। ❤️ 😂 😮 😢

রেবেকাঃ চুপ কর পাজি ছেলে আর নিজের ঘরে গিয়ে পড়াশোনা কর। ❤️ 😂 😮 😢

ঠিক তখনি আবিরের বাড়িতে মঞ্জুলিকা চলে আসে। ❤️ 😂 😮 😢

মঞ্জুলিকাঃ হাই আংকেল কেমন আছেন আপনি। ❤️ 😂 😮 😢

আরমানঃ আমি ভালো আছি কিন্তু তুমি এখন এখানে। ❤️ 😂 😮 😢

মঞ্জুলিকাঃ আরে আমি আবিরের মুখে শুনেছিলাম আপনি আসছেন তাই আমি আপনার সাথে দেখা করতে চলে আসলাম। ❤️ 😂 😮 😢

আরমানঃ একদম ঠিক কাজ করেছো তুমি তা তোমার বাবা কেমন আছে। ❤️ 😂 😮 😢

মঞ্জুলিকাঃ বাবা ভালো আছে। ❤️ 😂 😮 😢

রেবেকাঃ আচ্ছা তুমি নাস্তা করে তারপর যেও। ❤️ 😂 😮 😢

মঞ্জুলিকাঃ ঠিক আছে। ❤️ 😂 😮 😢

আমি তো এখানে নাস্তা করতে আসিনি আমি এখানে আবিরের সাথে সময় কাটাতে এসেছি (মনে মনে বলল) ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ তা আসার আগে তো একবার ফোন করে আসতে হয়। ❤️ 😂 😮 😢

মঞ্জুলিকাঃ আমাকে এখানে আসতে হলে পারমিশন নিয়ে আসতে হবে কেন এটা আমার বাড়ি নয়। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ না। ❤️ 😂 😮 😢

আরমানঃ এই তোমরা এইভাবে ঝগড়া করছো কেন। ❤️ 😂 😮 😢

তোমরা দুই বন্ধু ঘরে গিয়ে কথা বলো। ❤️ 😂 😮 😢

মঞ্জুলিকাঃ ঠিক আছে আংকেল বলেই মঞ্জুলিকা আর আবির ঘরে চলে গেলো। ❤️ 😂 😮 😢

ঘরে গিয়ে মঞ্জুলিকা আবিরকে বললো ❤️ 😂 😮 😢

মঞ্জুলিকাঃ আই মিস ইউ বেবি আমি তোকে ছাড়া এক মুহূর্তও থাকতে পারি না। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরকে জড়িয়ে ধরে বললো আমি শুধু তোর জন্য এখানে এসেছি। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ দেখ আমার একদম এসব ভালো লাগেনা আর এইভাবে সবসময় আমার গায়ে এসে পড়বি না কতবার বলবো আমি তোকে ভালোবাসি না তুই জাস্ট আমার ফ্রেন্ড। কিন্তু তুই এতো জেদি মেয়ে তোর মাথায় এসব কিছুই ঢোকে না। (মঞ্জুলিকাকে নিজের থেকে ছাড়িয়ে) ❤️ 😂 😮 😢

মঞ্জুলিকাঃ তুই আমায় ভালোবাসিস না তুই ওই স্নেহা বলে মেয়েটাকে ভালোবাসিস তাইতো। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ হ্যা তাই আমি স্নেহাকেই ভালোবাসি আর ওকেই বিয়ে করবো। ❤️ 😂 😮 😢

মঞ্জুলিকাঃ আমি সেটা কোনোদিনও হতে দেবো না তুই শুধু আমার আমার আমার। (কান্না করতে করতে বলল) ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ পাগলামি করিস না চলে যা এখান থেকে। ❤️ 😂 😮 😢

মঞ্জুলিকাঃ হ্যা আমি পাগল হয়ে গেছি শুধুমাত্র তোর জন্য তুই সারাজীবন শুধু তোর পিছনে দৌড় করিয়ে গেছিস আমায়। কিন্তু আর না এবার আমি তোকে নিজের করেই ছারবো। তোর সাথে যদি কারোর বিয়ে হয় সেটা শুধু আমার সাথে হবে আমি তোকে অন্যকারোর হতে দেবো না। এটা আমার জেদ বলতে পারিস অথবা পাগলামি। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ তুই আমাকে আর স্নেহাকে কোনোদিনও আলাদা করতে পারবি না কারন যে বন্ধন গড ঠিক করে দেন তাদের কেউ আলাদা করতে পারে না। ❤️ 😂 😮 😢

মঞ্জুলিকাঃ গড মাই ফুট তোর আর স্নেহার যে সবচেয়ে বড় প্রেমকাহিনী সেটাকে আমি দুনিয়ার সামনে মজাক বানিয়ে ছেড়ে দেবো কথা দিলাম। ❤️ 😂 😮 😢

তারপর মঞ্জুলিকা তারাতাড়ি করে বের হয়ে চলে গেলো। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ না এই পাগলের কথা ভাবলে চলবে না কি করে স্নেহার মুখ দিয়ে ভালোবাসার কথা বলাবো সেটার প্ল্যান করতে হবে। ❤️ 😂 😮 😢

পরেরদিন সকালে স্নেহা ঘুম থেকে উঠে মার ঘরে গিয়ে স্নেহা অবাক হয়ে যায় দেখে ওর বাবা বিছানায় বসে আছে। ❤️ 😂 😮 😢

স্নেহাঃ বাবা তুমি কখন এলে আর আমি কিছু জানতেই পারলাম না। ❤️ 😂 😮 😢

অনিকঃ স্নেহা আমি কাল রাত দশটায় ফিরেছি তুই ঘুমিয়ে ছিলিস তাই তোকে ডাকা হয়নি। ❤️ 😂 😮 😢

স্নেহাঃ কিন্তু তোমার তো অনেক দেরিতে আসার কথা ছিলো তাইনা। ❤️ 😂 😮 😢

অনিকঃ হ্যা কিন্তু কাজটা তারাতাড়ি শেষ হয়ে গেলো তাই ফিরে এলাম আর তোর লেখাপড়া কেমন চলছে। ❤️ 😂 😮 😢

স্নেহাঃ ভালো কিন্তু আজ কলেজ যাবো না কারন আজ তুমি ফিরে এসেছো সেই খুশিতে। ❤️ 😂 😮 😢

ঠিক সেই সময় স্নেহার মা ঘরে ঢুকলো আর বললো। ❤️ 😂 😮 😢

অরুনিমাঃ মোটেও না কলেজ একদম বাদ দেওয়া যাবে না যা ফ্রেশ হয়ে খেয়ে তারাতাড়ি কলেজে যা। ❤️ 😂 😮 😢

স্নেহাঃ মা তুমি না। ❤️ 😂 😮 😢

অনিকঃ তোর মা ঠিকই বলেছে কলেজ নো কামাই। ❤️ 😂 😮 😢

স্নেহাঃ ঠিক আছে। ❤️ 😂 😮 😢

তারপর স্নেহা রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিচে এসে ডাইনিং টেবিলে বসে খেয়ে রুমে গিয়ে ব্যাগ নিয়ে কলেজের জন্য বেরিয়ে গেলো। ❤️ 😂 😮 😢

স্নেহাকে কলেজের ভিতর ঢুকতে দেখে আবির নিজের খেলা শুরু করে দিলো। আবির ইচ্ছে করে স্নেহাকে দেখিয়ে দেখিয়ে একটা অন্য মেয়ের সাথে হেসে হেসে কথা বলছিলো। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ নাতাশা বেবি তুমি খুব সুন্দর দেখতে you are looking so beautiful. ❤️ 😂 😮 😢

নাতাশাঃ আই লাভ ইউ বেবি। ❤️ 😂 😮 😢

আবিরঃ আই লাভ ইউ টু বেবি। ❤️ 😂 😮 😢

তারপর কয়েকজন মেয়ে এসে আবিরকে ঘিরে ধরে সেলফি তুলতে লাগলো। আর এসব দেখে স্নেহার তো রাগে আর হিংসায় স্নেহার শরীর জ্বলে যাচ্ছে। ❤️ 😂 😮 😢

স্নেহাঃ ওই নাতাশার এত বড় সাহস আমার আবিরের এতো কাছে আসা আর ওকে আই লাভ ইউ বলা। ইচ্ছে তো হচ্ছে ডাইনিটার চুলগুলো ছিরে দিই আর সহ্য হচ্ছে না এই মেয়েগুলোকে দেখে। আমার আবিরের সাথে মৌমাছির মতো ভিন ভিন করছে। আর আবির কেউ আমি ছারবো না কাল পর্যন্ত আমাকে আই লাভ ইউ বলছিলো আজ অন্য মেয়েকে আই লাভ ইউ টু বলা। ইচ্ছে তো করছে ওকে কান ধরে নিল ডাউন করায়। ❤️ 😂 😮 😢

আর আবির স্নেহার রাগি লুক দেখে মুচকি মুচকি হাসছে। ❤️ 😂 😮 😢

চলবে ❤️ 😂 😮 😢

Advertisement
Ad Space Available
Previous Next
Join the Chapter Discussion
SPEED
18px
1.8