বিয়ে পাগলের গল্প ( বৈধ ভালোবাসা )

বিয়ে পাগলের গল্প, পর্ব 45

বিয়ে_পাগলের_গল্প : ❤️ 😂 😮 😢

বৈধ_ভালবাসা ❤️ 😂 😮 😢

পর্ব : ৪৫ ❤️ 😂 😮 😢

গল্প_বুড়ি_তিলোত্তমা ❤️ 😂 😮 😢

. ❤️ 😂 😮 😢

. ❤️ 😂 😮 😢

মন যেন আমার ভেঙ্গেই গেল। মনে মনে আশা করলাম কারে আর দেখলাম কারে । ❤️ 😂 😮 😢

তুষারের পিছনে দেখছি ডাঃ নানা দাড়িয়ে আছে । মনডায় চাইতেছি আমার ভাইটার কানটা এমনভাবে মলে দেই যেন এক সপ্তাহ লাল হয়ে থাকে। বুইড়া ডাঃ আসছে তা এত আদিক্ষেতা করে বলার কি আছে । ডাঃ নানা আমার সাথে জাস্ট সৌজন্যেমূলক সাক্ষাৎ করে চলে গেল। কারণ ইফাতারের আর বেশি সময় নেই । আমার রুমে আমার সাত ননদ আর মামী আমরা সবাই একসাথে ইফতার করার জন্য বসেছি । মাগরিবের আযান পড়লো আমি আর মামী ইফতার করছি । ওরা দেখছি বসে আছে । বলছে ওরা নাকি এক দু মিনিট পড়ে ইফতার করবে । ❤️ 😂 😮 😢

তখন মামী ওদের একটা হাদীস বলল, ❤️ 😂 😮 😢

. ❤️ 😂 😮 😢

★আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ❤️ 😂 😮 😢

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দ্বীন সর্বদাই বিজয়ী থাকবে (ততদিন), যতদিন মানুষ তাড়াতাড়ি ইফতার করবে। কারণ ইয়াহূদী ও খৃষ্টানরা ইফতার করতে বিলম্ব করে। ❤️ 😂 😮 😢

(আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ, মিশকাত /১৯৯৫) ❤️ 😂 😮 😢

১০৭৫, সহীহ আল জামি‘ ৭৬৮৯। ❤️ 😂 😮 😢

. ❤️ 😂 😮 😢

ওরা মামীর কাছ থেকে হাদিস শুনে ইফতার করছে । কিন্তু সায়লাকে দেখছি ও আগে শরবতের জন্য অস্থির । তখন আমি সায়লাকে বললাম খেজুর দিয়ে ইফতার করা সুন্নত । ❤️ 😂 😮 😢

. ❤️ 😂 😮 😢

★হাদীসে আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ❤️ 😂 😮 😢

তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সলাতের আগে কিছু তাজা খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন। যদি তাজা খেজুর না পেতেন, শুকনা খেজুর দিয়ে করতেন। যদি শুকনা খেজুরও না পেতেন, কয়েক চুমুক পানি পান করে নিতেন। ❤️ 😂 😮 😢

(তিরমিযী, আবূ দাঊদ। মিশকাত/ ১৯৯১ ।) ❤️ 😂 😮 😢

. ❤️ 😂 😮 😢

আমার সবাই মিলে বিসমিল্লাহ বলে খেজুর দিয়ে ইফতার করলাম । ❤️ 😂 😮 😢

. ❤️ 😂 😮 😢

ইফতার শেষ করে মাগরিবের নামায পড়বো । আর ছেলেরা বাহিরের উঠানে জামাত করে নামায পড়ছে। হঠাৎ মিষ্টি কন্ঠের তেলওয়াত আমার কানে ভেসে আসলো । মনে হচ্ছে কোন ক্বারী তেলওয়াত করছে । কন্ঠটা মাশআল্লাহ সত্যিই অনেক সুন্দর । একদম হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মত । আমি সায়লাকে জিজ্ঞেস করলাম কে নামায পড়াচ্ছে ? সায়লা বলল, নানাজ্বীর ভাইয়ের নাতি । মানে সাহিলের সম্পর্কে ভাগ্নিনা লাগে । ছেলেটার নাম লাবিব বয়স ১৪-১৫ হবে । ও নাকি খুব ছোট বয়সে হিফয শেষ করছে । এখন ঢাকা কোন একটা মাদ্রাসায় হাদীস বিষয়ে পড়াশুনা করছে। ছেলেটা সম্পর্কে শুনে কষ্ট লাগলো । কারণ ছেলেটার মা নেই । লাবিবের মা নাকি লাবিবের ছোট ভাইকে জন্ম দেয়ার সময় মারা গিয়েছে । ওর ছোট ভাইকে লাবিবের খালা লালন পালন করছে । কারণ সে নিঃসন্তান আর লাবিব বাবার কাছে ছিল । বাবা বিয়ে করার পর আর সেখানে থাকতে পারেনি । এখন মাদ্রাসায় থাকে আর ছুটি পড়লে নানীর বাড়ি থাকে। ❤️ 😂 😮 😢

মনে মনে বলি মাশাআল্লাহ এত কষ্টের মাঝে ছেলেটা ছোট বয়সে হিফয শেষ করে আবার হাদীস বিষয়ে পড়াশুনা করছে । সত্যিই আল্লাহ বড় মহান । বাবা মা বেঁচে থাকতে সন্তাকে হাফেজ বানাতে পারছে না । আর কত ঝড়-ঝঞ্ঝা মাঝে ছেলেটা হাফেজ হয়েছে । আল্লাহ তুমি ছেলেটাকে তোমার পথে কবুল কর । ❤️ 😂 😮 😢

. ❤️ 😂 😮 😢

আমিও তাড়াতাড়ি মাগরিবের নামাযে দাড়িয়ে গেলাম । ওরা নামায পড়ে যার যার মত কই যেন চলে গেল । আমি নামায পড়ে বসে বসে দোয়া দরুদ পড়ছি । আজকাল কেন জানি আমার বেশি আলো সহ্য হয় না । এজন্য রুমে ড্রীম লাইট জ্বালিয়ে রেখেছি । জায়নামায থেকে উঠে পিছনে তাকিয়ে আমি তো অবাক। মনে মনে চোখ দুটো যাকে খুঁজচ্ছে তাকে যেন পেয়ে গেছে। সাহিল বিছানার উপর ওর ব্যাগ রেখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে । আমিও ছলছল চোখে ওর দিকে তাকিয়ে আছি । দুজন দুজনকে আবছায়া আলোতে দেখছি । ❤️ 😂 😮 😢

হঠাৎ সাহিল রুমের লাইট জ্বালিয়ে দিল । লাইটের আলোতে ওর মুখটা আমার চোখের সামনে একদম স্পষ্ট হয়ে জ্বলজ্বল করছে । সাহিলে চেহারা দিকে তাকাতেই আমার চোখের পানি গড়িয়ে পড়লো । ওর চেহারার কি হাল হয়েছে । দেখেই মনে হচ্ছে যত রাজ্যের চিন্তা যেন সব উপর মাথায় আছে । আমি ওকে দেখে যেন খুশিতে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছি । সাহিল মৃদু হাসি দিয়ে আলতো পায়ে আমার কাছ ঘেঁষে দাড়ালো । ও আমার যতটা কাছে আসছে, আমার হৃদয়ের কাঁপন যেন ততটা বাড়ছে । এ কেমন জানি এক অনুভূতি ? এই অনুভূতিকে প্রকাশ করা ভাষা মনে হয় আমার জানা নেই । সাহিল আমার গালে ওর হাত রাখলো । ওর হাতের স্পর্শে যেন আমার পুরা শরীর শিহরিত হয়ে গেল । আমি আমার গালে রাখা ওর হাতটা চেপে ধরলাম । সাহিল আমার কপালে আলতো করে ঠোঁট ছুঁয়ে বুকে শক্ত করে জড়িয়ে নিলো । সাহিলের বুকের মাঝে মনে হয় আমি অনাবিল শান্তি খুঁজে পেয়েছি। আমিও সাহিলের পাঞ্জাবী খামছে ধরে ওর বুকে নাক ঘষে কেঁদে যাচ্ছি । জানিনা এ কান্না কিসের কান্না ? আনন্দের, হাসির, নাকি দুঃখের নাকি অভিমানের। শুধু জানি আজ কাঁদতে খুব ভাল লাগছে । মনে হচ্ছে যেন এভাবেই আজ সারারাত ওর বুকে মুখ গুঁজে কাঁদতে থাকি । প্রিয় মানুষের বুকে মুখ লুকিয়ে কাঁদলে যে এত শান্তি লাগে, তা আমি বুঝেছিলাম আমাদের বিয়ের প্রথম রাতে । সাহিল ওর বুক থেকে আমাকে বারবার সরিয়ে নিতে চাইছে । আমি যেন বারবার ওকে আর বেশি শক্ত করে আঁকড়ে ধরছি । অবশেষে ওর বুক থেকে আমার মুখটা সরিয়ে ও এক পা পিছনে দাড়ালো । আমার চোখের পাতায় ঠোঁট ছুঁয়ে বলল, ❤️ 😂 😮 😢

----- পাগলী বউ আমার এভাবে কেউ কাঁদে ? তুমি তো কদিন পর দুটো বাবু মা হবা । আর বাবুর মা যদি এভাবে কাঁদে । তবে তো আমার বাবুগুলো একদম মায়ের মত ছিঁচ কাঁদুনে হবে । তখন তিনজন ছিঁচ কাঁদুনেকে আমি একা সামলাবো কি করে ? ❤️ 😂 😮 😢

আমি সাহিলের কথায় লজ্জা পেয়ে আবার সাহিলের বুকে আমার মুখ লুকালাম । আর বললাম,,, ❤️ 😂 😮 😢

------ বাবুর বাবা তো জানে বাবুর মা ছিঁচ কাঁদুনে তবে বাবুর বাবা বাবুর মাকে কেন কাঁদায় ? ❤️ 😂 😮 😢

------ ওহ্, এখন সব দোষ বুঝি বাবুর বাবার ? ❤️ 😂 😮 😢

----- তবে নয় তো কি । সব দোষ তোমার । বাবুর মা সেই কখন থেকে তীর্থের কাকের মত অসহায় হয়ে বাবুর বাবাকে স্মরণ করে যাচ্ছে । আর চাতক পাখির মত দুটি চোখ যে তার বাবাকে খুঁজছে । তা কি বাবুর বাবা বুঝেনা । ❤️ 😂 😮 😢

----- বুঝি বলেই তো চলে এলাম । কত কষ্ট করে যে ছুটি ম্যানেজ করছি তুমি জানো ? ❤️ 😂 😮 😢

----- জানি না আর জানতেও চাইনা । আগে বল কখন এলে ? ❤️ 😂 😮 😢

----- ইফতারের ১৫ মিনিট আগে । ❤️ 😂 😮 😢

আমি সাহিলের বুক থেকে নিজেকে সরিয়ে অভিমান করে খাটে গিয়ে বসলাম । আর বললাম,, ❤️ 😂 😮 😢

------ এতক্ষণ পর বুঝি তোমার আমার সাথে দেখা করার সময় হল । যাও তোমার সাথে কোন কথাই নেই । ❤️ 😂 😮 😢

------ ঠিক আছে আমার সাথে যখন কোন কথা নেই । তবে আমি আর এখানে থেকে কি করব ? দেখি বাহিরের কি অবস্থা ? ❤️ 😂 😮 😢

সাহিল সত্যি সত্যি বাহিরের দিকে যাওয়ার জন্য পা বাড়ালো । আমি অমনি দাড়িয়ে পিছন থেকে সাহিলের পাঞ্জাবি খাঁমছে ধরলাম । সাহিল পিছন ফিরে তাকিয়ে দুষ্ট মার্কা একটা হাসি দিয়ে বলল, ❤️ 😂 😮 😢

----- হায়রে নারী । বিধাতা যে তোমাদের কত রূপলীলা দিয়েই সৃষ্টি করছে তা শুধু সেই জানে । বিরহ দিতে জানো কিন্তু বিরহ সইতে জানো না । আবার দূরে চলে যেতে বল আবার দূরে যেতে দাও না । সবি তোমাদের ভালবাসার মোহ-মায়া। ❤️ 😂 😮 😢

----- মাশআল্লাহ" আমার বর দেখছি এতদিনের বিরহে কবি হয়ে গিয়েছে । ❤️ 😂 😮 😢

------ সত্যি সোনাবৌ নারী বিরহ যাতনা পুরুষ মানুষকে কবি দার্শনিক ফকির সব বানায়। ❤️ 😂 😮 😢

------ ধ্যাত আর হেয়ালি কর না । এবার সত্যি করে বল, আমার সাথে দেখা করতে দেরি করলে কেন ? ❤️ 😂 😮 😢

------ আসলে ভাবলাম বৌয়ের সাথে দেখা করার এখন সঠিক সময় না । রোযা রমযানের দিন । যদি নিজের আবেগকে কন্ট্রোল করতে না পারি । আর তখন তোমার সাথে দেখা করলে দুজনের ইফতারের ১২ টা বাজতো । তোমার আমার অবেলার অভিসার কখন যে শেষ হত । আর শেষ হতে হতে সেহরির সময় হয়ে যেত । তাই ভাবলাম দাদার সাথে দেখা করে মায়ের রুমে কাপড় চেঞ্জ করে ইফতার সেরে তারপর বৌয়ের কাছে যাওয়াই বেটার । দেখতো দেখতে দেখতে অলরেডি ২৫ মিনিট হয়ে গিয়েছে । ❤️ 😂 😮 😢

----- তো কি হইছে ? আধা ঘন্টা তো হয় নাই । ❤️ 😂 😮 😢

----- আরে বাহ্ বাচ্চার মায়ের এত উন্নতি দেখে তো আমি আনন্দে আপ্লুত হব নাকি আত্মহারা হব বুঝতেছি না । ❤️ 😂 😮 😢

----- সব সময় তুমি আমাকে কি মনে কর ? শুধু তোমার আমার জন্য পোড়ে মন ❤️ 😂 😮 😢

আর তোমার জন্য আমার মন ঠনঠন ❤️ 😂 😮 😢

----- না না এত বড় স্পর্ধা আমার একদম নেই । যাইহোক সারারাত আছে কথা বলার জন্য । এখন আমার মনে হয় বাহিরে যাওয়া দরকার । ❤️ 😂 😮 😢

. ❤️ 😂 😮 😢

সাহিল বাহিরে চলে গেল । আমিও রুমে বসে রেস্ট নিচ্ছি । আজ শরীর বড় ক্লান্ত লাগছে । জানিনা আল্লাহ কি করে আমার একটা মাস পার করবে । খাবার তো তেমন কিছুই খেতে পারি না । শুধু শসা খেতে ভাল লাগে । মা আবার বলে বেশি শসা খেলে নাকি আমার ঠান্ডা লেগে যাবে। আবার শসাতে তো বেশি পুষ্টিও নেই । একটুপর আম্মু রুমে আসছে আমার জন্য খাবার নিয়ে । আম্মু আমাকে জোর করে গরুর মাংস আর দই দিয়ে ভাত মাখিয়ে খাইয়ে দিচ্ছে । তিন চারবার খাওয়ার পর আমার গা গুলাচ্ছে । এজন্য খাবার আর আমি খেলাম না । ভাবতেই খুশি লাগে আল্লাহ চাইলে আমিও আমার বাচ্চাদের এভাবেই আদর করে খাইয়ে দিব । ❤️ 😂 😮 😢

তুষার আমার রুমে আসলো আর এসে আমাকে বলছে,,, ❤️ 😂 😮 😢

তুষার ঃ তোকে বললাম না দেখ কে এসেছে ? তুই তো মনে করছিস আমি সাহিল ভাইয়ার কথা না বলে ডাঃ নানার কথা বলছি । ❤️ 😂 😮 😢

আমি ঃ তোকে কে বলল ? ❤️ 😂 😮 😢

তুষার ঃ তোর চেহারা দেখেই বুঝছি । সাহিল ভাইয়ার কথা ভেবে তোর চেহারাতে খুশিতে লাড্ডু ফুটছিল । আর নানাকে দেখে তা হাওয়াই মিঠাই হয়ে গেল । ❤️ 😂 😮 😢

আমি ঃ আম্মু দেখ তোমার ছেলে কিন্তু ইঁচরে পাঁকছে । ❤️ 😂 😮 😢

তুষার ঃ দেখ আপু আমাকে এখন আর ছোট ভাববি না । আমি কদিন পর মামা হব । মানে ডাবল মা, মানে মামা । ডন্ট আন্ডারইস্টিমেট পাওয়ার অফ মামা । ❤️ 😂 😮 😢

আম্মু ঃ হুম মামা তো হবি । কিন্তু মামা হলে যে তোর ভাগ্নে-ভাগ্নী কোলে হিশু করবে আরও কত কি করবে তখন তোর পাওয়ার কি হয় আমি দেখব ? ছোটবেলায় তো আরবাজ তোর কোলে হিশু করছিল বলে ফেলে দিতে নিয়েছিলি । আর এখন তো দুটো হবে সামলাবি কি করে ? ❤️ 😂 😮 😢

তুষার ঃ আম্মু কি যে বল । ডায়াপার আছে না নো চিন্তা ডু ফুর্তি। ❤️ 😂 😮 😢

. ❤️ 😂 😮 😢

তুষারের কথা শুনে আমি আর আম্মু খুব হাসছি । সত্যি আমার ভাই আর বড় হলো না । ❤️ 😂 😮 😢

বাসার বেশির ভাগ মেহমান ইফতারের পর খাওয়া দাওয়া করে চলে গিয়েছে । মামা মামী আর তুষার চলে গেল । কিন্তু আমি আম্মুকে যেতে দেইনি । আর নানাজ্বীর শরীর ও বেশি ভাল যাচ্ছে না । নানাজ্বীর মেয়ে ছিলনা বলে আম্মুকে নিজের মেয়ের মত ভালবাসতো । আর এই সময়ে আম্মু পাশে না থাকলে হয় । ❤️ 😂 😮 😢

সাহিল সেই যে গেল আর আসার নাম গন্ধ নাই । আমার মনে হয় ও তারাবির নামায পড়তে গিয়েছে । আমিও নানাজ্বীর পাশে গিয়ে বসলাম । নানাজ্বী কেন জানি হঠাৎ আমার কাছে আবদার করলো গজল শোনার জন্য । তার নাতি বলছে আমি ভাল গজল গাইতে পারি । আমি নানাজ্বী এমন আবদার শুনে হতভম্ব হয়ে গেলাম । আমার ভিষণ লজ্জা লাগছে । আর এমন সিচুয়েশন না করার তো কোন উপায় নাই । বাসায় অবশ্য এখন আর বাহিরের কেউ নাই । আমার শ্বশুরবাড়ির সব । ছেলেরা তো সব তারাবির নামাযে গিয়েছে । এখন এখানে আমরা মেয়েরা সব । কি আর করার নানাজ্বীর আবদার রাখতে একটা ইসলামিক গান গাইলাম,, ❤️ 😂 😮 😢

. ❤️ 😂 😮 😢

সত্যের সংগ্রামে ফোটা ফুল ❤️ 😂 😮 😢

ভেঙ্গে দিল জীবনের যত ভুল ❤️ 😂 😮 😢

সুগন্ধ ছড়িয়ে হৃদয় ও ভরিয়ে ❤️ 😂 😮 😢

আমাদের কেন জানি ডেকে যায় !! ❤️ 😂 😮 😢

ডেকে যায় ডেকে যায় ❤️ 😂 😮 😢

এই ডাক সু-মহান আল্লাহর ❤️ 😂 😮 😢

যার ডাকে মন সারা দেয় বারবার ❤️ 😂 😮 😢

নদীর ও কলতান মায়া ও মধুবন !! ❤️ 😂 😮 😢

আমাদের কেন জানি ডেকে যায় ❤️ 😂 😮 😢

--------------------------------------------- ❤️ 😂 😮 😢

নানাজ্বীকে গান শোনানোর পর ওনি যে কি খুশি । মনে হচ্ছে যে বাচ্চারা আবদারের কোন কিছু পেলে যেমন খুশি হয় নানাজ্বী তেমন খুশি। সত্যি মানুষের বয়স হলে তাদের আচারণ শিশুসুলভ হয় । নানাজ্বী সাহিলকে বলছে, হ দাদাভাই তুমি হাছা কইছাও তোমার মিষ্টির কন্ঠ কোকিলের সুরের মতই মিষ্টি । তার মানে সাহিলও পিছনে দাড়িয়ে শুনছিল। এখন দেখছি শুধু সাহিল না বাবা ও আছে । আমি তো লজ্জায় শেষ । ইস এরা দাদা নাতি যা করে না । হঠাৎ কেন জানি মনের ভিতর মোচর দিল । আল্লাহ জানে আর কতদিন এই মানুষটা আমাদের মাঝে থাকবে । নানাজ্বী একাই যেন এই বাড়িটাকে মাতিয়ে রাখছে । ❤️ 😂 😮 😢

. ❤️ 😂 😮 😢

আজ রাতে ঘুমাতে যেতে ১১টা বাজলো । সাহিল নানাজ্বীর কাছে থাকতে চাইলো । কিন্তু নানাজ্বী বলল, আজ না কাল যেন থাকে । হায়রে দাদা এখনও নাতির জন্য কত চিন্তা । ❤️ 😂 😮 😢

আমি আর সাহিল রুমে গেলাম । সাহিল দেখছি রুমে গিয়ে বালিশ নিয়ে যেন কোথায় যাচ্ছে । আমি জিজ্ঞেস করলাম কই ঘুমাতে যাও ? তার উত্তরে বলল,,, ❤️ 😂 😮 😢

. ❤️ 😂 😮 😢

. ❤️ 😂 😮 😢

#চলবে ,,,,,,,,,, ❤️ 😂 😮 😢

★বানানের ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন"'। ❤️ 😂 😮 😢

#জাযাকাল্লহ_খইরন ❤️ 😂 😮 😢

Advertisement
Ad Space Available
Previous Next
Join the Chapter Discussion
SPEED
18px
1.8