মেরাজ এক বিস্ময়কর যাত্রা

Chapter 1

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনের শোকের বছরের অভিজ্ঞতাগুলো যেন তখনও তার মন ভারী করে রেখেছিল। হয়তো একটি দিনও কাটত না যে তিনি আমাদের মা খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহার কথা স্মরণ করতেন না। তার চাচা আবু তালেবের অনুপস্থিতি অনুভব করতেন না। তায়েফের লোকদের নিক্ষেপ করা পাথরগুলো হয়তো তখনও স্মৃতির পথ দিয়ে ছুটে এসে তার অন্তরে আঘাত করত। কিন্তু আল্লাহ তো আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন, ইন্না মা'আল উসরি ইউসরা, নিশ্চয়ই কষ্টের পর রয়েছে সহজতা। এমন অকল্পনীয় পরীক্ষার পর্বের পর তার প্রিয় হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য আল্লাহ তাআলা উপহারস্বরূপ এমন একটি বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা রেখেছিলেন যা মানব ইতিহাসে আর কারো পাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি। ❤️ 😂 😮 😢

সময়টা ছিল গভীর রাত। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ঘরে শুয়েছিলেন। হঠাৎ করে দেখতে পেলেন, জিবরাঈল আলাইহিস সালাম ওপর থেকে তার দিকে আসছেন। তিনি নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে তাকে নিয়ে গেলেন পবিত্র কাবা শরীফের হাতিমের ভেতরে। সেখানে তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বুক কেটে তার হৃৎপিণ্ড বের করে ফেলেন এবং তা জমজমের পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলেন এবং কিছু কিছু রেওয়ায়েতে এসেছে তা ঈমান দিয়ে ধুয়ে ফেলেন। ❤️ 😂 😮 😢

এখানে পাঠকদের জন্য একটি ছোট্ট কুইজ। ঠিক এরকম একটি ঘটনা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনে এর আগেও ঘটেছিল। আপনারা কি বলতে পারবেন সেটা কবে, কোথায় ঘটেছিল? ❤️ 😂 😮 😢

ওলামাদের মতে, মহিমান্বিত এই রাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হৃৎপিণ্ডকে আবারও ঈমান দিয়ে অথবা জমজমের পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলার উদ্দেশ্য ছিল তার মনটাকে শক্ত করা। কারণ তিনি এমন সব জিনিস দেখতে যাচ্ছিলেন যার ক্ষুদ্র একটি অংশ দেখলেও একজন সাধারণ মানুষ তার মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলতে পারে। ❤️ 😂 😮 😢

এরপর জিবরাঈল আলাইহিস সালাম তার সামনে একটি অদ্ভুত পশু নিয়ে এলেন যা আকারে ছিল একটি খচ্চরের চেয়ে ছোট কিন্তু গাধার চেয়ে বড়। এর রং ছিল ধবধবে সাদা। আর নাম ছিল আল-বুরাক। যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বুরাকের চড়ে বসলেন, পশুটি কিছুটা অস্থির হয়ে পড়ল, যেমনটি যেকোনো পশুই নতুন কেউ চড়ে বসলে করে। তখন জিবরাঈল আলাইহিস সালাম বুরাককে তিরস্কার করে বললেন, 'তোমার কি লজ্জা হয় না? তোমার ওপর আজ পর্যন্ত যারা চড়েছে তাদের মধ্যে আল্লাহর নিকট সবচেয়ে পবিত্র ব্যক্তি হলো ও।' এরপর বুরাক রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিয়ে চলতে আরম্ভ করল এবং তাদের পাশে জিবরাঈল আলাইহিস সালাম এবং কিছু কিছু রেওয়ায়েত অনুযায়ী মিকাঈল আলাইহিস সালামও সঙ্গ দিয়েছিলেন। ❤️ 😂 😮 😢

বুরাক কত দ্রুত যাচ্ছিল? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করলেন, খালি চোখে যতদূর দেখা যায়, বুরাক প্রতি ধাপে ততটুকু দূরত্ব পার হয়ে যেতে লাগল। এ এমন গতি যা বর্তমান যুগের আধুনিক প্রযুক্তিকেও হার মানায়। এখানে বলে রাখা ভালো, আমরা অনেক সময় শুনে থাকি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উড়ন্ত ঘোড়ায় চড়ে ইসরা এবং মেরাজের যাত্রা সম্পন্ন করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবে কোনো রেওয়ায়েতে বুরাকের ডানা ছিল বা সে উড়তে পারত এমন কোনো বর্ণনা আসেনি। বরং বিস্ময়কর এই যাত্রার শুধু প্রথম অংশটিই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বুরাকে চড়েছিলেন। অর্থাৎ তিনি বুরাকে চড়ে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত গিয়েছিলেন। কিন্তু তার পরের অংশে তিনি মূলত জিবরাঈল আলাইহিস সালামের সাথেই সাত আসমান পাড়ি দিয়েছিলেন। অতএব বুরাক ছিল বাস্তব একটি পশু, এমন একটি পশু যা আমরা আগে কখনো দেখিনি, কিন্তু তাই বলে তার দুটো ডানা ছিল এবং সে উড়তে পারত, এসব কথার কোনো ভিত্তি নেই। ❤️ 😂 😮 😢

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদুল আকসাতে পৌঁছে বুরাককে বেঁধে মসজিদে প্রবেশ করলেন। সেখানে তিনি মুসা আলাইহিস সালামকে দেখেন, যাকে তিনি বর্ণনা করেন শানুয়াহ গোত্রের মানুষের মতো এবং তিনি ছিলেন লম্বা ও চওড়া গঠনের মানুষ। এবং তিনি আরও দেখেন ঈসা আলাইহিস সালামকে, যিনি ছিলেন ককেশীয় বর্ণের এবং তার চুল ছিল কিছুটা ভেজা এবং গঠনে তিনি মুসা আলাইহিস সালামের চেয়ে আরেকটু ছোট ছিলেন। এবং তিনি আরো দেখলেন ইব্রাহিম আলাইহিস সালামকে এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম ছিলেন দেখতে প্রায় হুবহু তারই মতো। এবং সেখানে সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যত নবী-রাসূল প্রেরিত হয়েছিল সবাই একত্র হলেন এবং নামাজে দাঁড়িয়ে গেলেন। এবং তাদের ইমাম হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। ❤️ 😂 😮 😢

এরপর জিবরাঈল আলাইহিস সালাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলেন এবং তার কাছে দুটি পাত্র তুলে ধরলেন। একটি পাত্রে ছিল দুধ, আরেকটি পাত্রে ছিল মদ। এবং মনে রাখা ভালো যে তখনো পর্যন্ত মদ্যপান হারাম করা হয়নি। এবং জিবরাঈল আলাইহিস সালাম বলেছেন, 'বেছে নাও তোমার জন্য এবং তোমার উম্মতের জন্য।' এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুধের পাত্র বেছে নিলেন এবং জিবরাঈল আলাইহিস সালাম বললেন, 'তুমি তোমার ফিতরা অনুযায়ী বাছাই করেছো।' ❤️ 😂 😮 😢

এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিস্ময়কর এই যাত্রার প্রথম পর্ব, ইসরা, শেষ হয় এবং দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়, যাকে বলা হয় মেরাজ। ❤️ 😂 😮 😢

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখলেন, তার জন্য আকাশটা উন্মুক্ত হয়ে গেল এবং তিনি জিবরাঈল আলাইহিস সালামের সাথে আকাশপানে ভ্রমণ করতে লাগলেন। অনেক ওলামাদের মতে, আমরা আমাদের মহাবিশ্ব বলতে যা কিছু বোঝাই, অগণিত সব গ্রহ, উপগ্রহ এবং নক্ষত্র দিয়ে সাজানো এই প্রকাণ্ড জগৎ, এসব কিছুই প্রথম আসমানের অংশ। কেননা আল্লাহ তাআলা সূরা মুলকে বলেন, 'আমি নক্ষত্র দিয়ে সামাআদ দুনিয়া, অর্থাৎ সবচেয়ে নিম্ন স্তরের আসমানকে সাজিয়ে দিয়েছি।' এর মানে এই মহাবিশ্বে যতদূর পর্যন্ত নক্ষত্র রয়েছে, অন্তত ততদূর পর্যন্ত প্রথম আসমানের বিস্তার। ❤️ 😂 😮 😢

অকল্পনীয় এই দূরত্ব জিবরাঈল আলাইহিস সালামের সাথে পাড়ি দিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পৌঁছালেন দ্বিতীয় আসমানের দ্বারপ্রান্তে। এবং সেখানে যাওয়ার পর দ্বিতীয় আসমানের রক্ষী ফেরেশতারা তাদের পরিচয় জানতে চায়। জিবরাঈল আলাইহিস সালাম বললেন, 'আমি জিবরাঈল।' তখন তারা বলে, 'তোমার সাথে কি কেউ আছে?' তিনি বললেন, 'হ্যাঁ, আমার সাথে আছে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।' উত্তরে প্রশ্ন আসে, 'তাকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে?' এবং জিবরাঈল আলাইহিস সালাম বললেন, 'হ্যাঁ।' এরপর দ্বিতীয় আসমানের দরজা খুলে যায় এবং এই দরজা কেমন, কীভাবে খুলে, কতটা প্রকাণ্ড, তা আমাদের কল্পনার বাইরে। আমরা শুধু এতটুকু জানি যে আল্লাহর অনুমতি ছাড়া আমরা কখনো প্রথম আসমান থেকে দ্বিতীয় আসমানে যেতে পারব না। ❤️ 😂 😮 😢

নতুন এই জগতে প্রবেশ করার সাথে সাথে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখলেন, তার জন্য একজন লম্বা মতো ব্যক্তি অপেক্ষা করছেন। জিবরাঈল আলাইহিস সালাম বললেন, 'ইনি তোমার বাবা আদম। উনাকে সালাম দাও।' নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদম আলাইহিস সালামকে সালাম দিলেন এবং তিনি সালামের উত্তর দিয়ে বললেন, 'মারহাবান বিল ইবনিস সালিহ ওয়া নাবিইয়্যিস সালিহ, স্বাগতম, হে পবিত্র সন্তান, হে পবিত্র নবী।' ❤️ 😂 😮 😢

এরপর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিবরাঈল আলাইহিস সালামের সাথে সাতটি আসমান একে একে পাড়ি দিলেন। এবং প্রত্যেকটি আসমানের দ্বারপ্রান্তে ফেরেশতারা তাদের পরিচয় জানতে চায় এবং পরিচয় জানার পর তাদের জন্য সেই আসমানের দরজা খুলে তাদের স্বাগত জানায়। এবং প্রত্যেকটি আসমানেই আল্লাহ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সম্ভাষণ জানানোর জন্য একজন নবী বা রাসূল পাঠিয়েছিলেন। এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে একে একে দেখা করেন ইয়াহইয়া এবং ঈসা আলাইহিস সালাম, ইউসুফ আলাইহিস সালাম, যাকে দেখে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন তাকে যেন সৌন্দর্যের এক অর্ধেক দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ইদ্রিস আলাইহিস সালাম, হারুন আলাইহিস সালাম, মুসা আলাইহিস সালাম। এবং অবশেষে সপ্তম আসমানে পৌঁছে তার দেখা হলো ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের সাথে, যিনি বায়তুল মামুরের সাথে হেলান দিয়ে বসেছিলেন। এবং ইব্রাহিম আলাইহিস সালামও আদম আলাইহিস সালামের মতো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন, 'মারহাবান বিল ইবনিস সালিহ ওয়া নাবিইয়্যিস সালিহ।' ❤️ 😂 😮 😢

এই পর্বের ঘটনাগুলো থেকে কয়েকটি পয়েন্ট লক্ষণীয়: ❤️ 😂 😮 😢

১.প্রথমত, আখিরাতে নবী-রাসূলদের অবস্থান উচ্চতর স্থানে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে স্বাগত জানানোর জন্য আল্লাহ তাআলা একেকজন নবীকে একেকটি আসমানে পাঠিয়েছেন মাত্র। আমরা যেন কেউ মনে না করি আদম আলাইহিস সালামের অবস্থান ঈসা আলাইহিস সালামের নিচে, ঈসা আলাইহিস সালামের অবস্থান ইউসুফ আলাইহিস সালামের নিচে। নাউযুবিল্লাহ। আল্লাহ আমাদেরকে আখিরাতে নবী-রাসূলদের সাথে জান্নাতের উচ্চতর স্থানে থাকার তৌফিক দিন। ❤️ 😂 😮 😢

২. দ্বিতীয়ত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জীবনের সবচেয়ে কষ্টকর অধ্যায় পার করার পর এই যাত্রায় এমন সব নবীদের সাক্ষাৎ পেলেন যাদের সাথে সাক্ষাতের মাধ্যমেই যেন আল্লাহ তার হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কিছু ব্যাপারে শিক্ষা দিচ্ছিলেন। প্রথমেই তিনি দেখা করলেন আদম আলাইহিস সালামের সাথে, যাকে সৃষ্টি করা হয়েছিল জান্নাতে বাস করার জন্য কিন্তু তাকে জান্নাত ছেড়ে চলে যেতে হয়। কিন্তু সেই প্রস্থান চিরস্থায়ী ছিল না। তিনি আবারো জান্নাতে ফিরে গিয়েছিলেন। তেমনিভাবে ঈসা আলাইহিস সালাম এবং ইয়াহইয়া আলাইহিস সালামকে তাদের নিজেদের মানুষেরাই হত্যা করার চেষ্টা করেছিল। একইভাবে ইউসুফ আলাইহিস সালাম ছিলেন যাকে তার আপন ভাইয়েরাই হত্যা করার চেষ্টা করেছিল। একে একে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন সব নবীদের সাথে সাক্ষাৎ করলেন যারা প্রত্যেকেই কোনো না কোনো বড় পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলেন এবং তাদের জীবনী থেকে যেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সান্ত্বনা পেলেন, অনুপ্রেরণা পেলেন। জীবনের পরীক্ষাগুলো যতই বড় হোক না কেন, সেগুলো কেটে যাবেই, ভালো দিন আসবেই। ❤️ 😂 😮 😢

এবং ভবিষ্যতে যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মক্কা ছাড়তে হলো, তিনি যখন মদিনাতে থেকে ইসলাম প্রচার করলেন, অবশেষে তিনি বিজয়ী হয়ে মক্কায় ফিরলেন এবং মক্কায় ফিরে যারা তার বিরোধিতা করেছিল তাদেরকে তিনি কী বললেন? তিনি সেই কথাগুলোই বললেন যা বহু যুগ আগে ইউসুফ আলাইহিস সালাম তার ভাইদের বলেছিল যখন তারা তার কাছে ক্ষমা চেয়ে ইসলামে ফিরে আসতে চেয়েছিল। আজকে তোমাদের ওপর কোনো পাপ নেই। আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করে দিবেন। ❤️ 😂 😮 😢

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিস্ময়কর এই যাত্রার বাকি অংশে তার আরও এমন আশ্চর্য সব অভিজ্ঞতা হলো যা ভাষায় প্রকাশ করা কষ্টকর। সেই ঘটনাগুলো আগামী পর্বে বর্ণনা করা হবে ইনশাআল্লাহ। ❤️ 😂 😮 😢

Advertisement
Ad Space Available
Previous Next
Join the Chapter Discussion
SPEED
18px
1.8