প্রথম পর্বে, আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিস্ময়কর যাত্রা, ইসরা ওয়াল মেরাজ, যাকে লাইলাতুল মেরাজ বা শবে মেরাজও বলা হয়ে থাকে, তার প্রথম অংশের গল্প পড়েছি, যেখানে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কার মসজিদুল হারাম থেকে জেরুজালেমের মসজিদুল আকসাতে ভ্রমণ করে মানবজাতির কাছে প্রেরিত সকল নবীর ইমাম হয়ে সালাত আদায় করেছেন। এরপর, তার যাত্রার দ্বিতীয় অংশ, মেরাজ শুরু হয় এবং তিনি একে একে সাতটি আসমান পাড়ি দেন এবং প্রতিটি আসমানে তার সাথে দেখা করেন বিশিষ্ট কয়েকজন নবী-রাসূলগণ আলাইহিমুস সালাম। ❤️ 😂 😮 😢
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অন্যান্য নবীগণের সাথে সাক্ষাতের কোনো এক পর্যায়ে, তিনি ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম, মুসা আলাইহিস সালাম এবং ঈসা আলাইহিস সালামের সাথে কিয়ামতের দিবস নিয়ে আলাপ করেন। ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম বলেন, আমি কিয়ামতের দিবস কবে হবে, এ ব্যাপারে কিছুই জানি না। মুসা আলাইহিস সালামও একই রকম উত্তর দেন। কিন্তু ঈসা আলাইহিস সালাম বলেন, কিয়ামতের দিবসের একটি চিহ্ন হচ্ছে, আমি দুনিয়াতে ফিরে আসবো এবং দাজ্জালও আসবে, এবং আমি দাজ্জালকে হত্যা করবো। এরপর ইয়াজুজ এবং মাজুজ আসবে এবং আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করবো যেন তারা ধ্বংস হয়ে যায় এবং আল্লাহ তাদের ধ্বংস করে দিবেন। এই ঘটনাগুলো ঘটে যাওয়ার পর খুব শীঘ্রই কিয়ামত আরম্ভ হয়ে যাবে। ❤️ 😂 😮 😢
ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের সাথে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অন্য প্রসঙ্গে কথা হওয়ার সময়, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেন, তুমি তোমার উম্মতের কাছে আমার সালাম পৌঁছে দিও। এরপর আরো বলেন, জান্নাতের মাটি হচ্ছে উর্বর এবং কল্যাণময়, কিন্তু এতে কোনো গাছপালা নেই। এতে বীজ বোনার পদ্ধতি হচ্ছে, সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ও আল্লাহু আকবার বলা। অর্থাৎ, আল্লাহর বান্দারা যখনই এই জিকিরগুলো করেন, তখনই জান্নাতে একটি গাছ জন্মায়। ❤️ 😂 😮 😢
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মেরাজের সময় আরো দেখা করতে আসে মালিক, যিনি হচ্ছেন জাহান্নামের মূল রক্ষী ফেরেশতা। মালিক রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সালাম দিলেও তার চেহারা ছিল গম্ভীর, তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিবরাঈল আলাইহিস সালামকে জিজ্ঞেস করলেন, ওকে এত গম্ভীর দেখাচ্ছে কেন? তখন জিবরাঈল আলাইহিস সালাম তাকে জানালেন, মালিক জন্মের পর থেকে কখনো হাসেনি, কখনো খুশি প্রকাশ করতে পারেনি, কারণ তাকে সৃষ্টিই করা হয়েছে জাহান্নামের রক্ষী হিসেবে। তবে, সে যদি কারো জন্য হাসতে পারত, সেটা তুমিই হতে, হে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। যদিও মালিক হচ্ছেন আল্লাহর একজন পবিত্র ফেরেশতা, আমাদের দোয়া থাকবে, আমরা যেন কখনোই তার দেখা না পাই। ❤️ 😂 😮 😢
এরপর, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উঠিয়ে নেয়া হলো আল্লাহর এক আশ্চর্য সৃষ্টিকে দেখানোর জন্য, যার নাম হলো সিদরাতুল মুনতাহা। ইমাম আন-নওয়াবী বলেন, এই গাছটির শেকড় ষষ্ঠ আসমান থেকে শুরু হয়, আর তা সপ্তম আসমানের শেষ পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়। এই সিদরাতুল মুনতাহা হলো সেই গাছ, যার পরে আল্লাহর কোনো সৃষ্টি পাড়ি দেয়নি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিদরাতুল মুনতাহা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, এর রঙ এমন যা আমি আগে কখনো দেখিনি। অর্থাৎ, আমরা যত রঙ দেখি তা কিন্তু রঙধনুর সাত রঙের মিশ্রণ থেকে বের করে আনা সম্ভব। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মূলত বলছেন, এই গাছটি আমাদের জানা সাতটি রঙের বাইরে নতুন কোনো রঙের রাঙানো, যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। ঠিক যেমন একজন জন্মান্ধ ব্যক্তিকে আপনি নীল রঙ আর লাল রঙের পার্থক্য কী তা ভাষায় বর্ণনা করে বোঝাতে পারবেন না। এবং এই গাছটির রঙ সারাক্ষণই পরিবর্তন হচ্ছিল এবং একে ঘিরে ছিল নানা ধরনের বস্তু, যার মধ্যে ছিল ছোট ছোট অগণিত সোনালী প্রজাপতি। ❤️ 😂 😮 😢
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, দুনিয়া থেকে যা কিছু আসমানে যায়, তা সিদরাতুল মুনতাহাতে গিয়ে পৌঁছায়। আর যা কিছু আল্লাহর কাছ থেকে দুনিয়াতে প্রেরিত হয়, তা সিদরাতুল মুনতাহার মাধ্যমে আসে। এবং এই গাছ থেকে বয়ে চলে চারটি নদী, যার দুটি হচ্ছে দুনিয়াতে আর দুটি আখিরাতে। দুনিয়ার যে দুটি নদী সিদরাতুল মুনতাহা থেকে আরম্ভ হয়, তা হলো নীল নদ এবং ইউফ্রেটিস নদী, এবং এই নদীগুলো কীভাবে সিদরাতুল মুনতাহার সাথে সম্পৃক্ত, তা হচ্ছে ইলমুল গায়েব, তা আমাদের জানানো হয়নি। কিন্তু মানব ইতিহাস ঘাটলে আমরা দেখবো, সবচেয়ে প্রাচীন জাতিগুলি এই দুটো নদীকে ঘিরেই বেড়ে উঠেছে। এবং যে দুটো নদী জান্নাতে বয়ে গেছে, তা হলো কাউসার এবং সালসাবিল, এবং এই কাউসার থেকেই ইনশাআল্লাহ নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উম্মতকে পানি পান করাবেন এবং যারা ওই পানি একবার পান করবে, তারা আর কখনো তৃষ্ণা অনুভব করবে না। আল্লাহ আমাদেরকে সেই মানুষদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করুন, আমিন। ❤️ 😂 😮 😢
এবং এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিবরাঈল আলাইহিস সালামকে তার মূল আকারে দেখলেন এবং এটা তার জীবনে শুধুমাত্র দুবারই ঘটেছিল এবং জিবরাঈল আলাইহিস সালাম আকারে এত বড় ছিলেন যে তার শরীর দিয়ে গোটা প্রান্তর ঢেকে যায় এবং তার আছে ৬০০টি ডানা, যেই ডানার পালক থেকে অনবরত মণি-মুক্তা ঝরতে থাকে এবং আল্লাহর এই প্রকাণ্ড, পবিত্র, সম্মানিত সৃষ্টি আকারে যিনি হয়তো মহাকাশের গ্রহগুলোর চেয়েও বড়, শক্তি আর ক্ষমতার দিক থেকে যার সাথে তুলনা করা যায় আল্লাহর এমন বান্দা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর, আল্লাহর এই মহান সৃষ্টির দিকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকিয়ে একটি আশ্চর্য দৃশ্য দেখতে পেলেন। সিদরাতুল মুনতাহাতে পৌঁছানোর কারণে তারা আল্লাহর এতটা কাছে চলে এলেন যে এই উচ্চতায় এসে জিবরাঈল আলাইহিস সালাম আল্লাহর মাহাত্ম্য, তার বড়ত্ব, তার অসীম ক্ষমতা, তার অকল্পনীয় কুদরত, তার সীমাহীন রহমত, সবকিছু যেন নতুনভাবে উপলব্ধি করতে পারলেন এবং এই উপলব্ধির কারণে আল্লাহর এত মহান একজন সৃষ্টি হয়েও তিনি এতটা অসহায়ভাবে পড়ে রইলেন যে তাকে দেখে মনে হচ্ছিল যে তিনি একটি ফেলে রাখা ভেজা ন্যাকড়ার মতো এবং এটা কোনোভাবেই তাকে ছোট করে দেখার জন্য নয়, বরং তার অন্তরে আল্লাহর মাহাত্ম্যের উপলব্ধি এতটা প্রবল ছিল যে সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত এসে তার এই পরিস্থিতি হয়েছিল। ভেবে দেখুন, এই আল্লাহর সামনেই আমরা প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে দাঁড়াই এবং নামাজে দাঁড়িয়ে কত রকম কথা ভাবি, কত অন্যমনস্ক হয়ে সালাত আদায় করি, তাও আমাদের রব আমাদের উপর রাগ করেন না, বরং আমাদের গাফলতিগুলো সারাক্ষণ ক্ষমা করতে থাকেন। ইন্নাল্লাহা আরহামুর রাহিমিন। ❤️ 😂 😮 😢
জিবরাঈল আলাইহিস সালামকে সেই অবস্থায় রেখে এবার মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিদরাতুল মুনতাহা থেকেও ওপরে উঠতে লাগলেন এবং তিনি পৌঁছে গেলেন এমন উচ্চতায়, যেখানে আমাদের জানামতে আল্লাহর আর কোনো সৃষ্টি কখনো পৌঁছায়নি। এবং তিনি আল্লাহর এতটা নিকটে চলে গেলেন যে তিনি আল্লাহর প্রথম সৃষ্টি কলমের লেখার শব্দ শুনতে পাচ্ছিলেন। এরপর তিনি আল্লাহর সাথে সরাসরি কথা বলেন। যদিও পরবর্তীতে যখন সাহাবীরা জানতে চেয়েছিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালাকে সরাসরি দেখেছিলেন কি না, তিনি বলেছিলেন তিনি শুধুই আল্লাহর হিজাবকে দেখেছিলেন এবং আল্লাহর হিজাব নূরের তৈরি। তার মানে আল্লাহকে সরাসরি দেখার পরম সৌভাগ্য শুধু জান্নাতেই হবে। ❤️ 😂 😮 😢
আল্লাহ তাআলা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তিনটি বিশেষ উপহার দিলেন। প্রথমত, ফরজ নামাজ। দ্বিতীয়ত, সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত এবং তৃতীয়ত, তার উম্মতের জন্য একটি বিশেষ রহমত, যারাই আল্লাহর সাথে শিরক না করে মৃত্যুবরণ করবে, তাদের বড় গুনাহগুলো আল্লাহ ক্ষমা করে দিবেন। ❤️ 😂 😮 😢
এরপরেই সেই বিখ্যাত ঘটনা ঘটে, যেখানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৫০ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের আদেশ নিয়ে ফেরার সময় মুসা আলাইহিস সালামের সাথে দেখা হয় এবং তিনি তাকে উপদেশ দেন আল্লাহর কাছে ফিরে গিয়ে অনুরোধ করতে যেন নামাজের এই আদেশটি আল্লাহ কমিয়ে আনেন। কারণ ৫০ ওয়াক্ত নামাজ তার উম্মতের জন্য বড় কঠিন হয়ে পড়বে। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিবরাঈলের দিকে তাকালেন এবং জিবরাঈল আলাইহিস সালামও ইশারা করে বললেন, হ্যাঁ, তার উচিত হবে আল্লাহর কাছে ফিরে গিয়ে এই অনুরোধটুকু করা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফিরে গেলেন এবং ৫০ ওয়াক্ত নামাজকে ৪০ ওয়াক্ত করা হলো। এরপর আবারও মুসা আলাইহিস সালাম তাকে ফিরে যাওয়ার উপদেশ দেন, এভাবে করে নামাজ কমতে কমতে ৫ ওয়াক্তে নামিয়ে আনা হলো। এবারও মুসা আলাইহিস সালাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আগের মতো ফিরে যাওয়ার উপদেশ দেন, কিন্তু এবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেই বললেন, তার আবারও ফিরে যেতে লজ্জা করছিল। আল্লাহ তাআলা তার উপর এতটা অনুগ্রহ করেছেন, তিনি কীভাবে বলবেন যে মাত্র পাঁচ ওয়াক্ত সালাতও তার উম্মতের জন্য কষ্টকর হয়ে যাবে? এবং সেই মুহূর্তে একটি কণ্ঠ বেজে ওঠে এবং তা ছিল স্বয়ং আল্লাহ তাআলার কণ্ঠ এবং তিনি বলেন, আমার ফরজ প্রতিষ্ঠিত হলো এবং আমি আমার বান্দাদের ইবাদত সহজ করে দিলাম এবং যদিও সালাত পাঁচটি, এর প্রতিদান হবে ৫০টির। এর অর্থ হলো আল্লাহ তাআলা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুরোধে ফরজ নামাজ ৫০ ওয়াক্ত থেকে ৫ ওয়াক্তে কমিয়ে এনেছেন ঠিকই, কিন্তু নামাজের পুরস্কার তিনি কমিয়ে দেননি, বরং নামাজের পুরস্কার ৫০ ওয়াক্তের সমানই থাকছে। সুবহানাল্লাহ। ❤️ 😂 😮 😢
কিন্তু আল্লাহ এভাবে আমাদের কাছে নামাজ ফরজ করলেন কেন? তিনি তো অতীত এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সবকিছু জানেন, এর মানে তিনি তো আগে থেকেই জানতেন যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ৫০ ওয়াক্ত নামাজের আদেশ দেয়ার পর উনি কয়েকবার ফিরে এসে তার কাছে নামাজের আদেশ কমিয়ে আনার অনুরোধ করবেন, তাহলে তিনি সরাসরি পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের আদেশ দিলেন না কেন? আল্লাহ তাআলা আসলে এভাবে আমাদের উপর নামাজ ফরজ করার মাধ্যমে আমাদেরকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দান করেছেন। আমাদের ওপর যদি ৫০ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হতো, তাহলে প্রায় আধা ঘণ্টা পর পরই আমাদের সালাত আদায় করতে হতো। অর্থাৎ, আমরা সারাদিন ইবাদত ছাড়া আর কোনো কিছুরই সময় পেতাম না। এর মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি, আমাদের সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যই হলো আল্লাহর ইবাদত করা। ঠিক যেমন ফেরেশতারা ক্লান্তিহীনভাবে তার ইবাদত করতে থাকে। কিন্তু আমাদের দুর্বলতা মাথায় রেখে আল্লাহ আমাদের কাজটাকে সহজ করে দিয়েছেন এবং পুরস্কারগুলোকে বহুগুণে বৃদ্ধি করে দিয়েছেন। ❤️ 😂 😮 😢
ইসরা ওয়াল মেরাজ সিরিজের তৃতীয় এবং শেষ পর্বে আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ফেরার যাত্রা এবং ফেরার পরে তার এই অভিজ্ঞতাগুলো বর্ণনা করার প্রতিক্রিয়ার ঘটনাগুলো জানবো এবং অবিস্মরণীয় এই ঘটনা থেকে আমাদের কী কী শেখার আছে তা আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ। ❤️ 😂 😮 😢