বিয়ে_পাগলের_গল্প : ❤️ 😂 😮 😢
বৈধ_ভালবাসা ❤️ 😂 😮 😢
পর্ব : ২৯ ❤️ 😂 😮 😢
গল্পকার : গল্প_বুড়ি_তিলোত্তমা ❤️ 😂 😮 😢
♦ ❤️ 😂 😮 😢
♦ ❤️ 😂 😮 😢
আমি আর সাহিল শুধু ওদের কথা শুনে হাসছি । আর তুষার তো তেলে বেগুনে জ্বলে উঠছে। ❤️ 😂 😮 😢
হঠাৎ কিছুদূর যেতেই মাঝ রাস্তায় গাড়ি থেমে গেল । আমরা সবাই চমকে গেলাম । কি হল, গাড়ি থামলো কেন ? ❤️ 😂 😮 😢
পরে শুনি গাড়ির টায়ার পাঞ্চার হইছে । ❤️ 😂 😮 😢
আল্লহর অশেষ মেহেরবানি যে, হাইওয়েতে চাকায় সমস্যা হইছে । তাছাড়া গ্রামের নিঝুম রাস্তায় হলে তো সমস্যা হত। এখন কি আর করার গাড়ি থেকে নেমে রাস্তায় দাড়িয়ে রয়েছি । আমরা ৮ জন মেয়ে আর ওরা বুড়ো ছুঁড়ো মিলে ৫ জন । গাড়ির প্যা প্যা শব্দ, ধুলাবালি, আর গরমে জীবন অতিষ্ট । আমরা রোডের এক পাশে দাড়িয়ে আছি । মাঝে মাঝে হালকা বাতাস আসছে, তখন বেশ ভাল লাগছে । ❤️ 😂 😮 😢
আমার ভাই তুষার আমাদের বলতেছে, ❤️ 😂 😮 😢
তুষার ঃ আজ যদি গাড়ির চাকা ঠিক না হয় ❤️ 😂 😮 😢
তবে তোদের সাথে আমাদের ও এখানেই থাকতে হবে । ❤️ 😂 😮 😢
আমি ঃ কেন রে ভাই ? হঠাৎ তোর এমন মনে হল কেন ? ❤️ 😂 😮 😢
তুষার ঃ কারণ তোদের ভয়ে কেউ গাড়ি থামাবে না । আর নেয়া তো দূরের কথা । ❤️ 😂 😮 😢
সায়লা ঃ এই তুষার আমাদের গাড়িতে নিবে না কেন ? আমরা কি করছি আর তোমাকে কে বলল ? ❤️ 😂 😮 😢
তুষার ঃ আমি জানি । কারণ তোমারা ৮ জন কালো বোরকা পড়া । সবাই ভাববে এরা মহিলা ডাকাত দলের সদস্য । এই ভয়ে কেউ গাড়ি থামাবে না । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল ঃ তুষার কথা কিন্তু মন্দ বলনি । মহিলা ডাকাত গ্রুপ নামটা বেশ ইন্টারেস্টিং । ❤️ 😂 😮 😢
সায়মা ঃ তাই তো ভাল । আমরা তোমাদের সাথে থাকলে তোমাদের প্রক্টেশন হবে । এবার ভাবো আমাদের বোরকা পড়া মেয়েদের কত ক্ষমতা। ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল ঃ হুম মেয়েদের ক্ষমতা রান্না ঘরে । আর বরের সাথে । ❤️ 😂 😮 😢
সামিহা ঃ আর তোমরা ছেলেরা তো মেয়েদের বডিগার্ড হও তার বেলায় । যেমন বৌমনি বডিগার্ড হয়ে, বৌমনির আগে পিছে ঘুরঘুর কর । তবে বুঝো আমাদের মেয়েদের কত মূল্যায়ণ ? ❤️ 😂 😮 😢
নানাজ্বী ঃ তোরা অহন কথা কইস না । শীতের দিনের ওয়াজ ওহন গরমের দিনে না করাই ভাল । ❤️ 😂 😮 😢
সারিকা ঃ এসবের মানে কি দাদা ? এই কথার মাঝখানে ওয়াজ আসলো কোথায় থেকে । শীত আর গরমের ওয়াজ কি ভাগ করা থাকে নাকি? ওয়াজ তো ওয়াজী । ❤️ 😂 😮 😢
তুষার ঃ কেন নানা কি হইছে ? আসলে নানা তোমার কথা বুঝলাম না । বুঝিয়ে বল তো ? ❤️ 😂 😮 😢
নানাজ্বী ঃ তবে শোন তগোরে একখানা গল্প কই ? ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল ঃ দাদা তোমার গল্পটা আমিই শুনাই ওদের। ❤️ 😂 😮 😢
নানাজ্বী ঃ হ তুই ক । তারপর আমি বুঝাই দিমুনি । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল ঃ---তবে শুনো । দাদার কাছে গল্প শুনছি, এক হুজুর শীতে দিনে গ্রামে ওয়াজ করছে, মহিলাদের কাপড় পুরুষেরা ব্যবহার করতে পারে না । ব্যবহার করলে গুনাহ হয় । ❤️ 😂 😮 😢
ওয়াজ শেষ করে যখন হুজুর ঘুমাবে । তখন দেখে তার বিছানায় কোন লেপ কাঁথা নাই । হুজুর তো সারারাত শীতে কষ্ট করছে ঘুমাতে পারে নাই । পরের দিন সকালে হুজুরকে, ঐ বাড়ির লোক জিজ্ঞেস করছে, ঘুম কেমন হয়েছে ? ❤️ 😂 😮 😢
হুজুর বলে, এই শীতে কি লেপ কাঁথা ছাড়া ঘুমানো যায় । ❤️ 😂 😮 😢
তখন লোকটা বলে, আসলে হুজুর আমি গরীব মানুষ তো । আমার বাড়ীতে লেপ নাই। ❤️ 😂 😮 😢
হুজুর বলে কোন কাঁথাও কি নাই ? ❤️ 😂 😮 😢
আবার ঐ লোক বলে, আছে কিন্তু সব কাঁথা তো আমার বউয়ের শাড়ী দিয়া বানানো । ❤️ 😂 😮 😢
আর আপনি তো বললেন, মহিলা মানুষের কাপড় পুরুষ মানুষ ব্যবহার করলে গুণা হইব। তবে আপনেরে আমি কেমনে গুনাগার বানাই । ❤️ 😂 😮 😢
এখন হুজুর বলে, আমি মনে হয় গরমকালের ওয়াজ শীতকালে করছি । এজন্য শীতের মধ্যে কষ্ট করা লাগলো। ❤️ 😂 😮 😢
সাহিলের কথা শুনে আমাদের হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যাচ্ছে । আমি সত্যি এর আগে ওর সামনে এভাবে হাসিনি । সাহিল হাবলাম মত আমার দিকে তাকিয়ে আছে । আর নানাজ্বি এই কথার ব্যাখ্যা দিচ্ছে । ❤️ 😂 😮 😢
নানাজ্বী ঃ শোন ওগোরে মহিলা সংখ্যা এহন বেশি। এহন ওগোরে মহিলারে নিয়া একটা কইলে ওরা আমাগো দশটা কইবো । এজন্য জায়গা মত কথা কয়া লাগবো। ❤️ 😂 😮 😢
ডাঃ নানা ঃ হ মহিলা গো ক্ষমতা থাকব না । ঘরে বাইরে তো তোমরাই । সব ক্ষমতা তোমাদের । সরকার থেকে রান্না ঘর । ❤️ 😂 😮 😢
নানাজ্বী ঃ হ ঠিক কতা । আইজ কাল রাস্তাঘাটে মহিলা মানুষের ভীড়ে আডাচলা করার উপায় নাই । ❤️ 😂 😮 😢
সামিহা ঃ দাদা তুমি এইটা কি বললা ? মহিলা মানুষের ভীড়ে তুমি হাটতে পারো না। আমি তো জানি তোমার ভয়ে কোন মহিলা রাস্তায় হাটতে পারে না । ❤️ 😂 😮 😢
তুষার ঃ নানা তুমি কি এই বয়সে মহিলাদের ইফটিচিং কর না কি ? ❤️ 😂 😮 😢
তুষারের কথা শুনে আমরা সবাই হাসাহাসি করছি । ফাজিল টা কি বলে ? এজন্য সাহিল বলল, ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল ঃ আসলে দাদা পরিচিত কোন মহিলাকে রাস্তায় বেপর্দাভাবে হাটতে দেখলে, দাদা খুব রাগ করে । এই ভয়ে দাদাকে দেখলে কেউ রাস্তায় থাকে না । দৌড়ে চলে যায় । ❤️ 😂 😮 😢
নানাজ্বী ঃ রাগ করুম না । আইজকাল মানুষ কেউ কাউরে সৎ উপদেশ দেয় না । ভাবে যে যা করতাছে করুক । তাতে আমাগো কি ? কিন্তু আল্লহ কইছে, তোমরা সৎ কাজের আদেশ দাও অসৎ কাজের নিষেধ কর । এই জন্য আমার এই রাগারাগি । মাইয়া মানুষ বাহিরে যাব ভালা কথা । কিন্তু পর্দা করে যাইতে অসুবিধা কি ? এইডাই আমি বুঝিনা । ❤️ 😂 😮 😢
সত্যি নানাজ্বী এখনও সবাইকে খুব শাসনে রাখে । কারণ মুরুব্বি হিসাবে সে তার দায়িত্ব পালন করে । আজ এই সবগুলো নানাজ্বীর ভয়ে বোরকা পড়ে আসছে । তা না হলে এরা কি যে করত ? ❤️ 😂 😮 😢
পরিবারকে সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য কঠোর মানুষের খুব প্রয়োজন । ❤️ 😂 😮 😢
আমরা কথা বলতে বলতে গাড়ি ঠিক হল । বেশ ভাল একটা আড্ডা হল । পাক্কা আধা ঘন্টা লাগলো । ঐ দিকে বাড়ি থেকে ফোন করে অস্থির হয়ে যাচ্ছে । আমরা কিছুক্ষণ পর বাড়িতে পৌঁছালাম । বাড়িতে সবাই দেখছি আমাদের অপেক্ষা করছে । আমি গাড়ি থেকে নেমে আগে আম্মু আর নানুর কাছে গেলাম । মনে হল কতদিন পর আম্মুকে দেখলাম । কারণ বুদ্ধি হওয়ার পর আম্মুকে ছাড়া কোথাও থাকিনি । ❤️ 😂 😮 😢
আম্মু আর নানু তো আমাকে জড়িয়ে ধরেই অনেক আদর করলো । ❤️ 😂 😮 😢
কিন্তু দুই হিংসুটে তো খুব হিংসে করছে । আগে ছিল একজন । এখন হয়েছে দুজন । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল আর তুষার বলতেছে, তাদের আদর কই ? ❤️ 😂 😮 😢
আমরা সবাই রুমে গিয়ে বসলাম । মামী শরবত সার্ব করলো । আরবাজ আর আবরার তো সাহিল আসার পর থেকে ওকে চিপকে ধরে বসে আছে । সারাক্ষণ দুলুভাই দুলুভাই করে ডাকছে । ❤️ 😂 😮 😢
আমরা বোরকা পার্টিরা আগে গিয়ে বোরকা খুললাম । কারণ গরমে জান যাচ্ছে । আগে বোরকা পড়ে গরমের কথা বললেই, আম্মু বলে, এই গরম সহ্য করতে পারিস না । তবে চিন্তা কর জাহান্নামের গরম সহ্য করবি কেমন করে । এজন্য বোরকার গরম সহ্য করতে শেখ। ❤️ 😂 😮 😢
সত্যি এসব ভাবলে সব কিছু যেন সয়ে যায় । আমি ফ্রেশ হয়ে থ্রী পিছ পড়লাম । কারণ একটুপর ঘুমাতেই যেতে হবে। তারপর নামাজ আদায় করলাম । ওদিকে ওরা সব পুরুষেরা মিলে ড্রইংরুমে জামাত করে নামায পড়তেছে । নানাজ্বী হচ্ছে তাদের ঈমাম । এই বয়সেও নানাজ্বীর কোরআন তেলওয়াত অনেক সুন্দর শোনাচ্ছে । ❤️ 😂 😮 😢
সবাই খাবার শেষ করলাম । ❤️ 😂 😮 😢
আমরা সবাই মিলে ড্রইংরুমে বসে আছি। এক একজন এক এক রকমের গল্প বলছে । এর মাঝে মামা এসে আমার হাতে একটা খাম দিয়ে বলল,,, ❤️ 😂 😮 😢
মামা ঃ মিষ্টি তোর বিয়েতে গিফটে বেশ কিছু টাকা উঠছে । প্রায় ৫৫ হাজার টাকা । এখন এই টাকা তুই নে । কি করবি কর ? ❤️ 😂 😮 😢
আমি ঃ মামা আমি টাকা দিয়ে কি করবো ? এই টাকা তুমি যা ইচ্ছা তাই কর । আমার টাকা লাগবে না । ❤️ 😂 😮 😢
মামা ঃ এ কেমন কথা । এটা তোর বিয়ের গিফটের টাকা । এজন্য এই টাকা গিফট সব তোর । ❤️ 😂 😮 😢
আমি ঃ বিয়ে তো সব টাকা খরচ করছো তুমি । আর সব নিয়ে নিব আমি । এ কেমন কথা মামা ? ❤️ 😂 😮 😢
মামা ঃ আরে পাগলি ! আমাদের যতটুকু দায়িত্ব ততটুকু পালন করছি । এখন যা গিফট সব তোর । ❤️ 😂 😮 😢
আমি ঃ ঠিক আছে আমি নিলাম । তুমি এক কাজ কর, আমাদের মসজিদের দোতলা করার জন্য তো তোমার কাছে টাকা চেয়েছে । তুমি তোমার টাকার সাথে এইখান থেকে অর্ধেক টাকা মসজিদে দিও । আর বাকি টাকা এতিমখানার হাফিযিয়া মাদ্রাসায় দিয়ে দিও । এতে তোমার আমার দুজনের ফায়দা । ❤️ 😂 😮 😢
মামা ঃ মাশআল্লহ ! তোর আইডিয়া কিন্তু দারুন । ❤️ 😂 😮 😢
তুষার ঃ আপু তোর সব টাকা দান করে দিবি । তবে তো তুই আখেরাতে ১টাকার জন্য ৭০ গুণ সওয়াব পাবি । ❤️ 😂 😮 😢
মামা ঃ দান করলে শুধু আখিরাতে না । দুনিয়াতেও বরকত দেয় আল্লহ । একদিক থেকে দান করলে, আল্লহ আরও তিন দিক থেকে দেয় । আর সব কিছু খুব বরকত থাকে । কারণ আমি এত টাকা খরচ করি । তারপরও আল্লহর রহমতে কোনদিন কোন অভাবে পড়িনিরে । সত্যি দান করলে কখনও কমে না । ❤️ 😂 😮 😢
নানাজ্বী ঃ হুম , একদম সত্যি কথা । তুই তো এতিমদের লালন পালন করছিস । এজন্য তোর বরকত বেশি । ❤️ 😂 😮 😢
আর এই বয়সের দান ইবাদত সব কিছুর মূল্য আল্লহর কাছে দামী । ❤️ 😂 😮 😢
আমি ঃ সত্যি বলতে, মামা আল্লহর রহমতে তুমি আমাদের জন্য যা করলে । তা কেউ সচারাচর কেউ করে না । ❤️ 😂 😮 😢
মামা ঃ আমার কাউকে কিছু দিতে পারলে । আমার খুব ভাল লাগে । মনে অন্যরকম শান্তি পাই । আর তোরা তো আমার সন্তানের মত । তোদের জন্য কিছু করতে পারলে আমার অন্তর প্রশান্তিতে ভরে যায় । ❤️ 😂 😮 😢
মামা আমাকে আর তুষারকে কাছে নিয়ে আদর করলেন । সত্যি মামার জন্য বাবার অভাব আমরা বুঝিনি । ❤️ 😂 😮 😢
নানাজ্বী অনেক হাদীস কোরআনের কথা বললেন । আমরা সবাই খুব মনোযোগ দিয়ে শুনলাম । মামী এসে আমাকে বলল, বিয়ের গিফটগুলো খুলে দেখতে । আমি মামীকে বললাম, ওরা যেন খুলে দেখে । ❤️ 😂 😮 😢
কারণ আমার খুব টায়ার্ড লাগছে । আমার সাত ননদ ওরা সবাই আম্মু আর নানুর কাছে নাকি ঘুমাবে । ❤️ 😂 😮 😢
আমার হঠাৎ চাচ্চুর দেয়া খামের কথা মনে পড়লো । আমি তো খামটা খুলে দেখিনি । ❤️ 😂 😮 😢
আমার ড্রেসিংটেবিলের ড্রয়ারে রাখছি ।ভাগ্যিস ! আজ চাচ্চু খামের কথা কিছু জিজ্ঞেস করেনি । তাহলে আমি লজ্জায় পড়ে যেতাম । আমার রুমে গিয়ে খামটা দেখা দরকার । ❤️ 😂 😮 😢
আমি আমার রুমে যাব । কিন্তু দেখছি রুমের দরজা লক করা । আমি এতক্ষণ আম্মুর রুমে ছিলাম । নিজের রুমে যাওয়াই হয়নি । আম্মুকে জিজ্ঞেস করতেই আম্মু বলল, তুষার লক করে রাখছে । ❤️ 😂 😮 😢
আমি তুষারকে ডাকতেই দেখি তুষার সাহিলকে নিয়ে হাজির । তুষার সাহিলকে বলছে,,,, ❤️ 😂 😮 😢
তুষার ঃ সাহিল ভাইয়া তুমি আপু চোখ ধর । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল ঃ কেন ওর চোখ ধরব ? ❤️ 😂 😮 😢
তুষার ঃ আরে ধরো না । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল ঃ ওকে ধরছি । ❤️ 😂 😮 😢
আমি ঃ তুষার আমার চোখ ধরতে বলছিস কেন ? ❤️ 😂 😮 😢
তুষার ঃ কেন টা বলে দিলে । চোখ ধরার দরকার ছিল কি ? কেন, তুই নিজেই চোখ খুলে দেখেনিস । ❤️ 😂 😮 😢
তুষার আমার রুমের লক খুলে দিল । সাহিল আস্তে করে আমাকে নিয়ে আমার রুমে ঢুকলো । আমার চোখ থেকে হাত সরাতেই, আমি চোখ খুলে অবাক । আজকেও আমার পাগল ভাইটা আমার রুম সাজিয়েছে । সত্যি অনেক সুন্দর করে সাজিয়েছে । একটা কাজ ভাল করছে খাট সাজাইনি । তবে কেমন জানি লজ্জা লজ্জা লাগতো । ❤️ 😂 😮 😢
আমি তুষারকে বললাম, ❤️ 😂 😮 😢
----- এই ভাই এসব করছিস কেন ? ❤️ 😂 😮 😢
----- কেন আপু তোর পছন্দ হয়নি ? ❤️ 😂 😮 😢
----- হুম খুব পছন্দ হয়েছে । কিন্তু এসব করার কি দরকার ছিল বল ? শুধু শুধু টাকা নষ্ট ❤️ 😂 😮 😢
----- আসলে আপু আমি তো তোর জন্য সাজাইনি । ❤️ 😂 😮 😢
----- মানে কি ? ❤️ 😂 😮 😢
------ মানেটা সিম্পল । সাহিল ভাইয়াদের বাড়িতে তোর জন্য সাজিয়েছে । এজন্য আমাদের বাড়িতে সাহিল ভাইয়ার জন্য সাজিয়েছি । ❤️ 😂 😮 😢
----- ওয়েট, ওয়েট । তুই তো আমাদের সাথে ছিলি । তবে এসব করলো কে, আর কখন ? ❤️ 😂 😮 😢
------ আপুরে তুই রে, এখনও সেই আগের জামানায় আছিস । এখন সব রেডি মেট পাওয়া যায় । আমি ফুলের দোকানের ওদের ফোন করে বলে দিয়েছি । মামী সাথে থেকে সব এ্যাঞ্জেমেন্ট করে রাখছে । ❤️ 😂 😮 😢
------ ওহ্ তাই । তবে তো তোকে আমার টাকা দিতে হবে । কারণ তোর সাহিল ভাইয়া তাদের বাড়িতে টাকা দিয়েছে। আমি টাকা পাব কই ? তোর সাহিল ভাইয়া তো চাকরি করে আমি কি চাকরি করি ? ❤️ 😂 😮 😢
----- তোর কাছে কি আমি টাকা চেয়েছি । এটা আমার পক্ষ থেকে তোদের দুজনের জন্য গিফট । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল এতক্ষণ চুপ করে ছিল । এখন সাহিল বলছে ,,,,, ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল ঃ দু ভাইবোনের মাঝে আমি কিছু বললো ? ❤️ 😂 😮 😢
আমি ঃ হুম বল । তোমার মুখ কে ধরে রাখছে । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল ঃ আমার টাকা কি তোমার টাকা না । ❤️ 😂 😮 😢
আমি ঃ আসলে আমি ঠিক ঐভাবে মিন করে বলিনি । ❤️ 😂 😮 😢
তুষার ঃ প্লিজ তোমরা সামাণ্য কারণ নিয়ে এত কথা বল না তো । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল ঃভয় পেয়না তোমার আপুর সাথে ঝগড়া করব না । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল তুষারের হাতে ৫০০০ হাজার টাকা ধরিয়ে দিল । তুষার নিতে চাইনি । তারপরও সাহিল জোর করে তুষারকে দিল । তুষার আমার রুম থেকে চলে গেল । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল বলছে, আমরা নাকি খুব লাকি । আমাদের জন্য তিন তিনবার বাসর সাজানো হয়েছে । আর আমার রুম নাকি তার খুব পছন্দ হয়ছে । কারণ এই প্রথম ও আমার রুমে থাকবে । এজন্য সে খুব এক্সসাটেড । ❤️ 😂 😮 😢
আমি ড্রেসিংটেবিলের ড্রয়ার থেকে চাচ্চুর দেয়া খামটা বের করলাম । খাম বের করে দেখি টাকা আর একটা কাগজ । ❤️ 😂 😮 😢
কাগজে লেখা আছে, ❤️ 😂 😮 😢
প্রিয় মিষ্টি মামুনী, ❤️ 😂 😮 😢
আমার ভালবাসা আর দোয়া নিস । তোর বিয়ের জন্য কি কিনব ? তা ভেবে পেলাম না । এজন্য প্যাকেটের ভিতর ২০ হাজার টাকা দিলাম । তোর মন মত কিছু কিনে নিস । আমি জানি, আমি যাই দেই না কেন ? তাই তুই অনেক বেশি মনে করবি । কারণ তুই আমার কাছে থেকে স্নেহ ভালবাসা পেলেই অনেক খুশি । কিন্তু আমার কাছে তোকে দেয়া এই কতগুলো টাকা খুবই অল্প খুবই সামাণ্য । কারণ আমার কাছে তোর অভিভাবক হিসাবে তোর অনেক কিছু পাওনা ছিল । যা আমি দিতে পারিনি । ❤️ 😂 😮 😢
আমাকে ভুল বুঝিন না মা । দোয়া করি আল্লহ যেন, তোদের অনেক সুখি করেন । ❤️ 😂 😮 😢
ইতি ❤️ 😂 😮 😢
তোর চাচ্চু ❤️ 😂 😮 😢
চাচ্চুর চিঠিটা পরে কত খারাপ লাগছে । চোখ থেকে টপটপ করে পানি ঝরছে । আমার চাচ্চু কতটা মানসিক যন্ত্রণায় আছেন । আর চাচীমা কোনদিন চাচ্চুকে বুঝতেই চায় না । চাচীমার জন্য আমাদের চাচাতো ভাইদের সাথে কোন যোগাযোগ নেই । আমার বিয়েতেও আসলো না পর্যন্ত । আজও বুঝলাম চাচীমা কেন যে, চাচ্চু আর আমাদের সাথে এমন করে । ❤️ 😂 😮 😢
আল্লহ দুনিয়াতে কত ধরনের মানুষ সৃষ্টি করছেন । স্ত্রী হয়ে যদি স্বামীর মন না বুঝে । তবে সহধর্মীনি হওয়ার মানে কি ? আমার নিস্তব্ধতা দেখে সাহিল আমার কাঁধে হাত রাখলো । আমি কিছুটা বিচলিত হয়ে, সাহিলের বুকে মাথা রেখে বললাম, ❤️ 😂 😮 😢
____আচ্ছা আমি কি তোমার মনের সব কষ্টগুলোকে ভাগ করে নিতে পারবো তো ? ❤️ 😂 😮 😢
------ হঠাৎ এমন কথা বলছো কেন ? ❤️ 😂 😮 😢
------ বলছি, এজন্য যে, কত বউরা তাদের বরকে বুঝে না । সেই বরদের মনে কত কষ্ট । আর বরের মনে কষ্ট দিলে তো আল্লহ ক্ষমা করবেন না । তবে তো সব আমল বরবাদ হয়ে যাবে । আর আমিও যদি কখনও এমন ভুল করি তবে কি হবে ? ❤️ 😂 😮 😢
----- ইংশাআল্লহ ! তোমার এমন হবে না । তুমি ভয় পেওনা । আর তুমি ভুল করলে, তোমার ভুলগুলো আমি শুধরে দিবো । এবার খুশি । ❤️ 😂 😮 😢
----- হুম । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল আমার চোখের পাতায় ঠোঁট ছুঁয়ে বলল, ❤️ 😂 😮 😢
----- দেখ না আমরা কতটা ভাগ্যবান । আমাদের সাথে আমাদের অবিভাবকদের দোয়া আছে । এজন্য আল্লহর রহমতে আমরা কেউ কখনো বড় কোন ভুল করবো । ইংশাআল্লহ ! ❤️ 😂 😮 😢
তুমি একদম টেনশন কর না । কারণ সম্পর্কটা একজনের বোঝা না । সম্পর্কটাকে সুন্দর রাখতে হলে দুজনকেই দুজনকে বুঝতে হয় । আর আমরা মনে হয় দুজন দুজনকে খুব তাড়াতাড়ি বুঝে নিব । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিলের কথাগুলো শুনে মনে খুব শান্তি লাগছে । কারণ উত্তম জীবনসঙ্গী পাওয়ার চেয়ে আর বড় কোন নিয়ামত নেই । কারণ অনেক সময় জীবনসঙ্গীর কারণে জান্নাত জাহান্নামের পথ সুগম হয় । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল আমাকে অন্যমনষ্ক করা জন্য বলছে, আচ্ছা আমরা কি শুধু আজ গল্প করবো ? ঘুমাবো না । ❤️ 😂 😮 😢
হঠাৎ দরজায় আওয়াজ পেয়ে আমরা দুজন দুজনকে ছেড়ে দাড়ালাম । দরজা খুলেই দেখি , আবরার আর আরবাজ এসে হাজির । তারা নাকি আজ তাদের দুলু ভাইয়ের কাছে ঘুমাবে । রুমে এসেই দুজন বিছানায় এসে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়লো । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল হা করে তাকিয়ে আছে । ❤️ 😂 😮 😢
আমি মনে মনে হাসছি । আর ওদের কান্ড দেখছি । ওরা দুজন আমাকে আমার রুমে থাকতে দিবে না । ওরা নাকি সাহিল আর তুষারের সাথে ঘুমাবে । আর আমাকে অন্য রুমে থাকতে বলছে । ❤️ 😂 😮 😢
আমি তো হেসেই শেষ । কারণ সাহিল মনে হচ্ছে গভীর চিন্তার মাঝে আছে । আজ তার সাথে কি হতে চলেছে ? ❤️ 😂 😮 😢
তুষার এসেছে দুজনকে নিতে । মামী দরজার বাহিরে দাড়িয়ে আছে । দুজন তুষারের সাথে যাবে কি । উল্টো তুষারকে ওদের পাশে ঘুমাতে বলছে । ❤️ 😂 😮 😢
আমি তো হি হি হি করে হেসেই যাচ্ছি । অবশেষে মামী এসে ধমক দিয়ে দুটোকে নিয়ে গেল । আমি বললাম থাক না ওরা । কোন সমস্যা নাই । তারপরও মামী জোর করে ওদের নিয়ে গেল। ❤️ 😂 😮 😢
ভেবেই হাসি পাচ্ছে । ❤️ 😂 😮 😢
আজ বিয়ে হয়েছে বলে, সবাই কত প্রাইভেসি দিচ্ছে । আর বিয়ের আগে তো কথার বলার ও অনুমতি ছিলনা। সত্যি #বৈধ_ভালবাসা এর ব্যাপার টা অন্যরকম । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল আমাকে একটানে বিছানায় ফেলে দিলো । আর বলছে, ❤️ 😂 😮 😢
----- এই তুমি বারবার বলছিলে কেন ? ওরা এখানে থাক । ❤️ 😂 😮 😢
------ কেন হিংসে হয় নাকি ? ❤️ 😂 😮 😢
----- হিংসে হয় মানে ? শ্বশুড়বাড়িতে প্রথম থাকছি । তো বউ একা না পেলে চলে । ❤️ 😂 😮 😢
----- এই রাতের বেলায় এসব কি সব কথা বলছো ? ❤️ 😂 😮 😢
----- কথা যে রাত দিনে ভাগ করা থাকে তা তো জানা ছিল । কিন্তু ওয়াজ যে, শীত গরম ভাগ করা থাকে তা জানি । ❤️ 😂 😮 😢
আমার আবার নানাজ্বীর গল্পর কথা মনে করে হাসলাম । আমি সাহিলের বুকে মাথা দিয়ে শুয়ে আছি । সাহিল বলছে, সে নাকি কতদিন পর বউকে কাছে পেল । আমি তো ওর কথা শুনে অবাক । বিয়ে হল দুদিন হল, আর বলে কি না, কতদিন ধরে বউকে কাছে পায় না । দুজনে বেশ ফাজলামো করছি । ❤️ 😂 😮 😢
তারপর সাহিল লাইট অফ করে দিল । ❤️ 😂 😮 😢
ফযরের নামায পড়ে আবার শুয়ে পড়লাম । বিয়ে বিয়ে করে ঘুমের তো বারোটা বেজে গিয়েছে । সকাল হতেই নানাজ্বী সাহিলকে জোরে জোরে ডাকতেছে । আমি আর সাহিল এক লাফে উঠে বসলাম । এই সকালবেলা আবার নানাজ্বী কি হল ?. ❤️ 😂 😮 😢
আমি উঠে দরজা খুলে বাহিরে গেলাম । আর সাহিল ফ্রেশ হয়ে আসতেছে । আমি নানাজ্বী প্রশ্ন করলাম কি হয়েছে ? ❤️ 😂 😮 😢
নানাজ্বী বলল, ❤️ 😂 😮 😢
নানাজ্বী ঃ আরে বুবু প্রথম শ্বশুড়বাড়িতে আইছে । বাজার করা লাগবে না । ❤️ 😂 😮 😢
আমি ঃ কিসের বাজার নানাজ্বি ? ❤️ 😂 😮 😢
নানাজ্বী তখন আমাকে বলল, আগের দিনে নাকি নতুন জামাইদের টাকা আর লিস্ট দিয়ে বাজারে পাঠানো হত । কারন সবাই দেখতে চায় জামাই কেনাকাটায় এক্সপার্ট কেমন । ❤️ 😂 😮 😢
মজার ব্যাপার হচ্ছে, টাকা দিত কম আর লিস্ট দিত বেশি করে । বরেরা নাকি নিজের সম্মান বাঁচাতে নিজেদের টাকা দিয়ে বাজার করে আনতো । আবার অনেকে সস্তা পঁচা বাজার দিয়ে ব্যাগ ভর্তি করে । ❤️ 😂 😮 😢
এসব শুনে আমি তো খুব মজা পাচ্ছি । সত্যি আগের দিনে বিয়েতে মানুষ কত নিয়ম কানুন বানাতো । ❤️ 😂 😮 😢
আম্মু বারবার না করছে নানাজ্বীকে এসব ঝামেলা না করার জন্য । তারপরও ওনি শুনছে না । তারা নাকি সকালের নাশতা খেয়ে বের হয়ে যাবেন । ❤️ 😂 😮 😢
নতুন জামাই আসছে বলে, আমার আম্মু, মামীরা, আর নানুরা মিলে কত রকমের পিঠে যে বানিয়েছে । কি আর বলব । আমি তো অনেক পিঠার নাম ও জানি না । আমার মামনি মানে মামী ওনি দুবাইতে যেখানে থাকে । সেখানে নাকি নরসিংদী আর বরিশালের মানুষ থাকে । তারা নাকি পিঠা বানানোর ওস্তাদ । মামী তাদের কাছ থেকে অনেক আইটেমের পিঠা বানানো শিখে আসছে । সাহিল বেচারা তো খাবার দেখেই অস্থির । আর খাবে কি ? ❤️ 😂 😮 😢
আম্মু আর মামীর ওয়াডার প্রত্যেক আইটেম টেস্ট করতে হবে । প্রায় ২০- ২৫ টা আইটেম । যাইহোক জোর করে যতটুকু পারলো খাবার খেলো । আমরা সবাই মিলে সকালের নাশতা করলাম । আমার ননদেরা বলছে, ❤️ 😂 😮 😢
সায়লা ঃ বৌমনি শুধু পিঠা খাইলে হবে না । তোমাকেও পিঠা বানানো শিখতে হবে । ❤️ 😂 😮 😢
সায়মা ঃ হুম । তোমার ননদের জামাইদের বানিয়ে খাওয়াতে হবে না । ❤️ 😂 😮 😢
আমি ঃ বাপরে । বিয়ে হওয়ার আগেই সবার বরকে নিয়ে কত চিন্তা । ❤️ 😂 😮 😢
সবাই মিলে খুব হাসাহাসি করলাম । সত্যি এরা সবগুলো বোন খুব মজার । ❤️ 😂 😮 😢
এখন নানাজ্বী সাহিল আর তুষার বাজারে যাচ্ছে । আম্মু সাহিলের হাতে ৫ হাজার টাকা ধরিয়ে দিয়েছে বাজার করতে । আম্মু কোন লিস্ট দিতে দেয়নি । মনে মনে বলি, এই গরমে বাজারে গেলে বুঝবে মজা সোনার চাঁন । ❤️ 😂 😮 😢
আমি আমার রুমটা গুছিয়ে নিলাম। তারপর আমার ননদেরা সহ বাড়ির সবার সাথে গল্প করছি । বেশ মজা লাগছে । কারণ আমার নানুর জায়েরা তাদের বিয়ের গল্প করছে । তার সময় কত নিয়মের নামে যে কুসংস্কার মানা হত । কি আর বলবো ? নতুন বউদের নাকি বিভিন্ন ধরণের কাজের পরীক্ষা নিত। তারপরও তারা কত সুন্দর করে মিলেমিশে সংসার করত । আমি বলি, এমন করলে, এখনাকার ৯৯ জন মেয়ে । বিয়ের পরেরদিন শ্বশুড়বাড়ি ছাড়বে । কারণ বিয়ের পরের দিন বউদের দিয়ে, উঠান ঝাড়ু দেয়া, বড় মাছ কাটা, ঢেঁকিতে ধান ভানা, শীল নোড়ায় মশলা পিষা, গোয়াল পরিষ্কার করা, আরও কত কি ? ❤️ 😂 😮 😢
সামিহা ঃ এসব কাজের কথা শুনেই অস্থির লাগছে । আর এসব কাজ করা তো দূরের কথা । ❤️ 😂 😮 😢
সায়লা ঃ আমরা যে আদরের দুলালী হয়ে বড় হয়েছি । এসব কাজ আমাদের দ্বারা হবে না । ❤️ 😂 😮 😢
সায়মা ঃ আজ মনে হয়, তেমন পরীক্ষায় পড়ছে দাদাই । ❤️ 😂 😮 😢
সাবিহা ঃ আমার মনে হয় না ও বাজার করতে পারবে । ❤️ 😂 😮 😢
সায়কা ঃ দাদাই তো জীবনেও বাজারে যায় না । ও কিনতে পারবে কি করে । ১০ টাকা জিনিষ ও ১৫ টাকা দিয়ে নিয়ে আসবে । ❤️ 😂 😮 😢
সারিকা ঃ সমস্যা নাই দাদা সাথে আছে না । ❤️ 😂 😮 😢
আমি ঃ হুম, এজন্য তো নানাজ্বী সাহিলকে শিক্ষা দেয়ার জন্য নিয়ে গিয়েছে । ❤️ 😂 😮 😢
সায়কা ঃ আজ দাদাইয়ের অবস্থা তো কেরোসিন হবে । ❤️ 😂 😮 😢
এসব বলতে বলতে, একটু পর নানাজ্বী দুই ভ্যান ভরে বাজার করে নিয়ে আসলেন । তুষার আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে । আর সাহিল বেচারার বড়ই মন খারাপ । মনে হচ্ছে আজ দাদার সেই রকম ঝাড়ি খেয়েছে । ❤️ 😂 😮 😢
আমার নানু নানাজ্বীকে জিজ্ঞেস করলো । ভাইজান নাতি কেমন বাজার সদাই করতে পারে ? ❤️ 😂 😮 😢
নানাজ্বী মুখ খোলার পর তো আমরা সবাই হাসতে হাসতে শেষ,,,,,, ❤️ 😂 😮 😢
♥ ❤️ 😂 😮 😢
♦ ❤️ 😂 😮 😢
চলবে,,,,,,,,,, ❤️ 😂 😮 😢
🎁🎁🎁 ❤️ 😂 😮 😢
♦ ❤️ 😂 😮 😢
♦ ❤️ 😂 😮 😢
! ❤️ 😂 😮 😢
★বানানের ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন"'। ❤️ 😂 😮 😢