বিয়ে_পাগলের_গল্প : ❤️ 😂 😮 😢
বৈধ_ভালবাসা ❤️ 😂 😮 😢
পর্ব : ৩৩ ❤️ 😂 😮 😢
গল্পকার : গল্প_বুড়ি_তিলোত্তমা ❤️ 😂 😮 😢
♦ ❤️ 😂 😮 😢
♦ ❤️ 😂 😮 😢
তুষার নানাজ্বীকে বলল,,,,,,, ❤️ 😂 😮 😢
তুষার ঃ নানা গো ক্ষিদা লাগলে দিশা পাইনা । বিসমিল্লাহ বলতে মনে থাকে না । আর তুমি এতগুলো নিয়মের কথা বলতেছো । নানা গো এত নিয়ম মানতে গেলে আমি তো ক্ষুধায় শহীদ হয়ে যাব । ❤️ 😂 😮 😢
আম্মু ঃ এই জন্য তো বাপ, তোর খাবার খেয়ে পেট ভরে না । তোর খাবার তো শয়তানে খেয়ে নেয় । কারণ বিসমিল্লাহ না বলে খাবার খাওয়া হল শয়তানকে আহার করানো । ❤️ 😂 😮 😢
আমি ঃ হুম তা তো জানি ভাই । আপনার তো রানতে সয় কিন্তু বাড়তে সয় না । ❤️ 😂 😮 😢
নানাজ্বী ঃ তোরা তো বুঝোস না । আমাগো চলা ফেরা, কথাবার্তা, খাবার, গোসল এই সব কিছু,যদি,সুন্নত মাইনা করি। তবে এতে কত সওয়াব হয়। দুনিয়াবি আর আখেরাতি সব ফায়দাই হয় । ❤️ 😂 😮 😢
আমরা সবাই খাবার খাওয়া জন্য বেসে আছি । বাচ্চাগুলোর তো খাবারের প্যাকেট খুলেই খুশিতে চোখ দুটো জ্বলজ্বল করছে । আমার ওদের হাস্য উজ্জ্বল মুখটা দেখে মনের ভিতর এক অজানা শান্তি বিরাজ করল । নানাজ্বী খাবার খাওয়ার শুরুতে জোরে করে বিসমিল্লাহ বলল । তারপর আমরা সবাই খাবার শুরু করলাম । আমরা সবাই মিলে খাবার খাওয়ার সুন্নতগুলোকে অনুসরণ করা চেষ্টা করলাম । কারণ একটা সুন্নতকে অনুসরণ করে দুনিয়াবি আর আখেরাতি ফায়দা করতে পারি । তাতে মন্দ কি ? ❤️ 😂 😮 😢
বাচ্চাগুলো খুব,তৃপ্তি সহকারে খাবারগুলো খাইলো । আমরা সবাই সত্যি অনেক আনন্দিত । এজন্য খাবার শেষে সবাই আলহামদুলিল্লাহ বললাম । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল খাবার শেষ করে আমার কাছে পানি চাইলো । আমি ওকে পানি দিতেই, দাড়িয়ে দাড়িয়ে ডকডক করে পানি খাচ্ছে । আমি সাহিলের কাছে গিয়ে পানির বোতল নিয়ে নিলাম । সাহিল আমার দিকে তাকিয়ে থেকে প্রশ্ন করলো ---- ❤️ 😂 😮 😢
----- এটা কি হলো ? ❤️ 😂 😮 😢
------ কেন ? আবার কি হল ? ❤️ 😂 😮 😢
------ তুমি পানির বোতল নিয়ে নিলে কেন ?. ❤️ 😂 😮 😢
------ ওহ্ এই কথা । নিয়েছি কারণ তো একটা আছেই । ❤️ 😂 😮 😢
------ কি কারণ শুনি তো ? কারো পানি খাওয়ার মূহুর্তে, কারো কাছে থেকে পানি নিয়ে নেয়াতে কি এমন কারন থাকতে পারে । তা তো আমাকে জানতেই হবে । ❤️ 😂 😮 😢
----- এই তুমি পানি খাওয়ার আদব জানো না ? ❤️ 😂 😮 😢
----- পানি খেতে আবার কি আদব লাগে ? ❤️ 😂 😮 😢
------ হায় আল্লহ ! তুমি কি বল ? তুমি পানি খাওয়ার আদব জানো না । ❤️ 😂 😮 😢
------- না জানি না । তুমি বল তো পানি খাওয়ার আদব কি কি ? ❤️ 😂 😮 😢
----- পানি পান করার আদব হচ্ছে ৬ টি ঃ ❤️ 😂 😮 😢
১. ডান হাতে পানি পান করা। ❤️ 😂 😮 😢
২. বসে পানি পান করা । ❤️ 😂 😮 😢
৩. পান করার পূর্বে "বিসমিল্লাহ " বলা । ❤️ 😂 😮 😢
৪. পান করার পূর্বে পানি দেখে পান করা । ❤️ 😂 😮 😢
৫. তিন বারে পানি পান করা । (তিন নিঃশ্বাসে) ❤️ 😂 😮 😢
৬. পান করা শেষে আলহামদুলিল্লাহ বলা । ❤️ 😂 😮 😢
এই ৬টি সুন্নত মেনে পানি পান করতে হয় । কারণ দাড়িয়ে পানি পান করে শয়তানে । একমাত্র জমজমের পানি দাড়িয়ে পান করা যায়। কারণ এখানে দাড়িয়ে পানি খাওয়ার মানে হচ্ছে, জমজমের পানিকে সম্মান দেয়া । ❤️ 😂 😮 😢
----- সত্যি ইসলাম আমাদের কত কিছু শিক্ষা দেয় । কিন্তু আমরা কয়টা নিয়ম মেনে চলি বল ? ❤️ 😂 😮 😢
----- হুম । আমরা নিয়ম মেনে চলি না বলেই তো আমাদের এত অধঃপতন । ❤️ 😂 😮 😢
বেলা গড়িয়ে বিকেল হয়েছে । রৌদ্রের দাপট কিছু টা কমেছে । তুষার সাহিল আর বাচ্চারা মিলে ক্রিকেট খেলছে । আরবাজ আর আবরার তো না ওদের সাথে খেলতে পারছে, না ওদের শান্তি মত খেলতে দিচ্ছে । একবার এই দুটোর হাতে বল পড়লে আর দেয়ার নামি নিচ্ছে না । বেচারা বলের জন্য ওদের পিছনে ছুটতে ছুটতে হাঁপিয়ে উঠছে । এসব কান্ড কারখানা দেখে আমরা দর্শকরা তো বেশ মজা পাচ্ছি । অবশেষে আমার সাত ননদ মিলে কানামাছি খেলা শুরু করলো । এই দেখে পিচ্চি দুটো ওদের পিছু ছাড়লো । বাচ্চাগুলো কি আনন্দের সাথে খেলাধূলা করছে । আজ এই বাচ্চাগুলো এতটা আনন্দ পেয়েছে যে, তা সম্পর্কে বলার কোন ভাষা আমার জানা নেই । আমাদের মত কয়েকজন করে যদি এগিয়ে আসতো, তবে ওরা অনতত পক্ষে বছরে কয়েকটা দিন তো ভাল থাকত । এসব মধ্যে আজকের সময়টা কেমন করে যেন পার হয়ে গেল । টের পেলাম না । বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হতে চলছে । ❤️ 😂 😮 😢
আমরা সবাই সব গুছিয়ে বিদায় নিচ্ছি । বাচ্চাগুলো কে আমরা বিদায় দিয়ে দিলাম । মনে মনে কষ্ট হচ্ছে, ইস ওদের জন্য যদি আরও ভাল কিছু করতে পারতাম । তুষার জেদ ধরলো আমাদের ওদের সাথে বাড়ি নিয়ে যাবে । কিন্তু ওর জেদ পূরণ করা সম্ভব না । কারণ এতে সাহিলের মা চাচীরা মন খারাপ করতে পারে । তুষারকে অনেক বুঝিয়ে আমরা বাড়ি চলে এলাম । ❤️ 😂 😮 😢
বাড়ি আসতেই মাগরিবের আযান পড়লো । আমি তাড়াতাড়ি করে মাগরিবের নামায পড়ে নিলাম । তারপর মায়ের রুমে গেলাম । মা আমাকে দেখে জিজ্ঞেস করলো, আমি মায়ের বাড়িতে কেমন কাটালাম ? আমি তাকে যত বলছি মায়ের বাড়ি যাইনি ওনি ততটা জেদ করে বলছে । আমি মায়ের বাড়ি গিয়েছি । অবশেষে আমি মাকে বললাম, আপনি বাকি সবাইকে জিজ্ঞেস করে দেখেন । আমি বাড়ি যাইনি । মা বলে উঠলেন, ওদের জিজ্ঞেস করে লাভ কি ? ওরা তাই বলবে, যা তুমি বলতে বলবে । এখন কি আমার কথা শোনার লোক আছে নাকি । আমার ছেলেই তো আমার নেই । আর অন্য সবার কথা কি বলবো । ❤️ 😂 😮 😢
মায়ের কথাটা শুনে আমি চুপ করে তার রুম থেকে বেড়িয়ে এলাম । আমার রুমে এসে বসে বসে কান্না করলাম । আমি বুঝতে পারছিনা মা আমার সাথে এমনটা কেন করছে ? আমি কাউকেই কিছু বলতে পারছিনা আবার সহ্য করতে পারছিনা । ❤️ 😂 😮 😢
সায়লা আমার রুমে এসে দেখছে আমি কান্না করছি । সায়লা আমাকে বলছে,,, ❤️ 😂 😮 😢
----- বৌমনি তুমি কাঁদছো কেন ? ❤️ 😂 😮 😢
----- এমনি । আমার ভাল লাগছে না তাই । ❤️ 😂 😮 😢
----- তুমি মিথ্যা বলছো কেন ? ❤️ 😂 😮 😢
----- না, আমি মিথ্যা বলবো কেন ? ❤️ 😂 😮 😢
------ আমি কিন্তু তোমার আর মায়ের কথা সব শুনেছি । বৌমণি তুমি বলতো মা কবে থেকে তোমার সাথে এমন করে কথা বলছে ? ❤️ 😂 😮 😢
----- না মানে না । আসলে সায়লা "" ❤️ 😂 😮 😢
----- তোমাকে তোতলাতে হবে না । আমি জানি মা কেন এমন করছে? ❤️ 😂 😮 😢
----- তুমি জানো মা কেন এমন করছে ? ❤️ 😂 😮 😢
----- হুম । এসবি আমার চাচী আর মামা মামীর কান পড়া দেয়ার ফল । ❤️ 😂 😮 😢
------ মাকে কান পড়া দিয়ে তাদের কি লাভ । ❤️ 😂 😮 😢
------ আসলে কি জানো বৌমনি । আজকাল কেউ কারো ভাল দেখতে চায় না । মামাবাড়ির লোক মাকে তোমার বিরুদ্ধে করে । তাদের অপমানের বদলা নিতে চায় । আর চাচীরা চায় মাকে দাদার কাছে খারাপ করতে । তোমার সাথে মা এমন আচারণ করছে, জানতে পারলে তুমি কি জানো বাড়ির সবাই মাকে কি করবে ? এই বয়সে মাকে সবাই বকবে । আর তা দেখে আমার চাচীরা মজা নিবে। কারণ তারা বরাবরি মায়ের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খেয়ে এসেছে । ❤️ 😂 😮 😢
আর মাকে বকা দিলে,তখন সব দোষ তোমার ঘাড়ে পড়বে, যে বউ ভাল না । বউয়ের জন্য শ্বাশুড়িকে এই বয়সে কথা শুনতে হচ্ছে । আবার মা তোমাকে কথা শোনালে, তারা তোমাকে এসে শান্ত্বনা দিয়ে বলবে । তোমার শ্বাশুড়ি কি তোমার সাথে এমনটা করতে পারে । এরা ঢোলের এপিঠ-ওপিঠ বারি দিয়ে শুধু আনন্দ উপভোগ করবে । এটাই তো তাদের আসল কাজ । ❤️ 😂 😮 😢
আমি চুপ করে সায়লা কথাগুলো শুনছিলাম । আর ভাবছিলাম একেই বোধহয় বলে, #ফ্যামেলি_পলিটিক্স । কিন্তু সায়লা এই বয়সে এত কিছু জানে কি করে । আমি সায়লাকে প্রশ্ন করলাম, ❤️ 😂 😮 😢
----- আচ্ছা সায়লা তুমি এতসব জানো কি করে ? ❤️ 😂 😮 😢
---- জানতে হয় বৌমনি । একান্নবর্তী পরিবারে থাকা মজাও যেমন, সাজাও তেমন । ছোটবেলা থেকে এসব দেখতে দেখতে অভস্থ্য আমরা । তুমি তো একা এক পরিবারে মানুষ হয়েছো । এজন্য এসব তুমি বুঝোনা । সবাইকে সরল মনে বিশ্বাস কর । ❤️ 😂 😮 😢
----- সায়লা এখন তুমি বল আমি মাকে কি করে বুঝাবো । আমি তার বিরোধী কেউ না। আমি তার সহযোগী । ❤️ 😂 😮 😢
------ তোমাকে কিছুই করতে হবে না । মা এক দুবার হোটচ খেলে একাই টের পাবে । তুমি কি আর তারা কি ? ❤️ 😂 😮 😢
আমি সায়লার কথা কিছুই বুঝলাম না । শুধু বুঝার চেষ্টা করছি । আজকাল সাহিলও আমার সাথে রাগ করে মাগরিবের নামাযে গিয়ে একবারে এশার নামায পড়ে আসে । আমি কি করে ওকে বুঝাই যে, দুজনে বেশিক্ষণ এক রুমে থাকলে । আমাকে কত কটুকথা শুনতে হয়। কিন্তু আমি কি কয়েকজনের কটুকথার ভয়ে, আমি আমার বরের ভালবাসা হারাচ্ছি না তো । ❤️ 😂 😮 😢
আমি বুঝিনা স্বামী স্ত্রীর মিল মহববতে লোকের এত সমালোচনা কেন ? তাদের মধ্য যে ভালবাসা তা তো সবটুকু হালাল আর #বৈধ_ভালবাসা । ❤️ 😂 😮 😢
এসব ভাবতে ভাবতে সাহিল সালাম দিয়ে রুমে প্রবেশ করলো । আমি সাহিলের সালামের জবাব দিলাম । তারপর সাহিলকে আমার পাশে বসিয়ে ওর হাত দুটো ধরে ক্ষমা চাইলাম। কারণ স্বামী তার স্ত্রীর প্রতি অসন্তুষ্ট থাকলে । আল্লহ ও তার ফেরেস্তাগণ ও ঐ স্ত্রীর প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল এভাবে আমার ক্ষমা চাওয়া দেখে বেশ অবাক হল । এজন্য আমার কপালে হাত দিয়ে দেখছে আমার শরীর ঠিক আছে কি না । আমি এক গাল হেসে সাহিলের কপালে ঠোঁট ছুঁয়ে বললাম । আগে ঠিক ছিলাম না এখন ঠিক আছি । সাহিল বোকার মত আমার দিকে তাকিয়ে রইলো । ❤️ 😂 😮 😢
আমি সবাইকে রাতের খাবার দিয়ে দিলাম । আজকাল মাকে দেখছি সে কেমন যে একটু অসুস্থ । মনে হয় আজকাল আজেবাজে চিন্তা করে বেশি । আমি মাকে ডেকে মায়ের সাথে রাতে খাবার খেয়ে নিলাম । সায়লা এসে মাকে বলল, দেখছো মা, আমি কিন্তু ঠিকি আগে খেয়ে নিয়েছি। বৌমনি কিন্তু তোমাকে ছাড়া খায়নি । মা কিছু না বলে মৃদু হাসলেন । ❤️ 😂 😮 😢
রাতে মোটামুটি সব কাজ গুছিয়ে আমার রুমে গেলাম । রুমে গিয়ে এশার নামায পড়লাম । নামাযে আল্লহর কাছে অনেক সাহায্য চাইলাম । যেন আমাদের পরিবারে শান্তি বজায় থাকে । নামায শেষ করে বিছানায় গেলাম । ❤️ 😂 😮 😢
আমার বরের দিকে তাকাতেই দেখছি বেচারা গভীর ঘুমে মগ্ন । আজ কেন জানি এই মানুষটার দিকে শুধু তাকিয়েই থাকতে ইচ্ছে করছে । বেশির ভাগ সময় তো আমি সাহিলের আগে ঘুমিয়ে পড়ি । এজন্য ওর ঘুমন্ত মায়বী চেহারাটা আমি মিস করে গিয়েছি । ❤️ 😂 😮 😢
রাত বাড়তে বাড়তে অনেক হয়ে গেল । আমি লাইটা অফ করে সাহিলের বুকে মাথা রেখে সুখের নিদ্রায় পাড়ি জমালাম । ❤️ 😂 😮 😢
হঠাৎ গভীর রাতে দরজায় জোরে জরো কড়া নাড়ার শব্দে ঘুম ভেঙে গেল । তড়িঘড়ি করে দরজা খুলে দেখছি, সায়লা দাড়িয়ে আছে । ওর চেহারাটা খুব বিষন্ন দেখাচ্ছে । ❤️ 😂 😮 😢
আমি সায়লাকে জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে ? সায়লা কোন জবাব না দিয়ে সাহিলকে ডাক দিতে বলল আর বললো আমি যেন সাহিলকে নিয়ে তাড়াতাড়ি মায়ের রুমে যাই । আমি সাহিলকে আস্তে আস্তে ডাক দিলাম । কারণ গভীর ঘুমে থাকা মানুষকে আচমকা জোরে ডাক দিতে হয় না । ক্রন মানুষের স্নায়ুর উপর চাপ পড়তে পারে । যার ফলে মানুষের ব্রেনে রক্তক্ষরণ হতে পারে । আমরা না জেনে অনেক সময় এ ধরনের ভুলগুলো করে ফেলি। কারণ ঘুমের মাঝে মস্তিষ্কের স্নায়ুগুলো একদম স্থির থাকে । যার জন্য হঠাৎ উত্তেজনা মস্তিষ্ক নিতে পারে না । এজন্য অনেক সময় মানুষ ঘুম থেকে উঠে আবোলতাবোল বকতে থাকে । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিলকে আস্তে আস্তে কয়েকবার ডাকার পর ও আমার ডাকে সাড়া দিল । আমি ওকে উঠতে বলি এবং ওকে নিয়ে মায়ের রুমে যাই। সাহিলকে নিয়ে মায়ের রুমে ঢুকতেই দেখছি,,,, ❤️ 😂 😮 😢
♥ ❤️ 😂 😮 😢
♦ ❤️ 😂 😮 😢
চলবে,,,,,,,,,, ❤️ 😂 😮 😢
🎁🎁🎁 ❤️ 😂 😮 😢
♦ ❤️ 😂 😮 😢
♦ ❤️ 😂 😮 😢