বিয়ে_পাগলের_গল্প : ❤️ 😂 😮 😢
বৈধ_ভালবাসা ❤️ 😂 😮 😢
পর্ব : ৩৫ ❤️ 😂 😮 😢
গল্পকার : গল্প_বুড়ি_তিলোত্তমা ❤️ 😂 😮 😢
♦ ❤️ 😂 😮 😢
♦ ❤️ 😂 😮 😢
হঠাৎ রাস্তার মাঝে এক পিচ্চি দৌড়ে চলে আসলো । সাহিল পিচ্চিটাকে বাঁচাতে বাইকে হার্ডব্রেক করলো । তারপর আমার দুজন কিছু বুঝে উঠার আগেই বাইক এক্সিডেন্ট করল। আমি বাইক থেকে ছিটকে রাস্তার পাশে খড়ের গাদায় উপর পড়লাম । আল্লহর অশেষ রহমত যে, পাশে থাকা গাছটার সাথে বারি খাইনি। শুধু শরীরটা বেশ ঝাকি খেয়েছি আর হাতে পায়ে কয়েক জায়গায় হালকা ছুলে গিয়েছে । আর সাহিল তো বাইক নিয়ে স্লিপ কেটে পড়ে গেল। ও মনে হয় বেশ ব্যাথা পেয়েছে । আমাদের এক্সিডেন্ট হওয়া দেখে আশে পাশের মানুষ দৌড়ে এলো । দুজন মহিলা আমাকে টেনে তুললো । আমি আমার চিন্তা বাদ দিয়ে আগে সাহিলের কাছে দৌড়ে গেলাম । গিয়ে দেখি ওর জিন্সের প্যান্ট ছিড়ে বা পায়ে বেশ ক্ষত হয়ে আর বাম হাত বেশ ছুলে গিয়েছে । ক্ষত থেকে ভালই ব্লিডিং হচ্ছে । কয়েকজন মিলে বাইক উঠিয়ে সাহিলকে দাড়া করালো । ও আমার দিকে তাকিয়ে বলছে, আমি ঠিক আছি কিনা । আমি ওকে ইশারা করে বুঝালাম আমি ঠিক আছি । এখন আমি বুঝতে পারছি না কি করব ? সত্যি এভাবে যে কিছু একটা ঘটে যাবে আমি ভাবতে পারিনি । পাশে থেকে এক লোক বলছে, আরে এ তো মনে হয়, তরিকুলের ভাগ্নী আর ভাগ্নীর জামাই । কদিন আগেই তো ওদের বিয়ের দাওয়াত খেলাম । ওনি হয়তবা আমার মামার পরিচিত কেউ হবেন । কারণ মামা এখানে থাকে না বলে, আমি মামার পরিচিত তেমন কাউকে চিনি না । ❤️ 😂 😮 😢
আশে পাশের কয়েকজন পিচ্চির পরিবারের মানুষের সাথে রাগারাগি করছিল । কারণ আজ যদি খারাপ কিছু হত, তবে দোষা হত বাইক চালকের । রাস্তার পাশে বাড়ি থাকলে বাচ্চাদের সব সময় চোখে চোখে দেখে রাখতে হয় । কারণ কখন কি ঘটে যায় বলা যায় না । ❤️ 😂 😮 😢
সব সময় এক্সিডেন্ট যে চালকের দোষে হয় না তা আজ বুঝলাম । রাস্তার সামনে হঠাৎ কেউ চলে এলে তখন আর কিছু করার থাকেনা । চালকেরা নিজেকে বাঁচাতে অন্যের উপর গাড়ি তুলে দেয়। ❤️ 😂 😮 😢
আমাদের অটোরিকশা করে সামনের একটা বাজারে নিয়ে যাওয়া হল । সেখানে একটা ডিসপেনসারিতে গিয়ে আমরা বসলাম। সাহিলের পায়ে ৪টা সেলাই করা হল । আমার শুধু হাত পা ছুলে ব্লাড বের হয়েছে এজন্য জাস্ট এন্টিসেপ্টিক লাগিয়ে দেয়া হল । বেশ কিছুক্ষণ পর দেখছি মামা এসে হাজির। তার মানে মনে হয় ঐ লোকটা মামাকে ফোন করে নিয়ে এসেছে । সত্যি রাস্তাঘাটে চলতে গেলে আল্লহ সাহায্য না করলে আমাদের চলাচল করা সম্ভব না । তা না হলে এই এক্সিডেন্ট হাইওয়েতে হলে খুব খারাপ কিছু হতে পারত । আল্লহ তায়ালা আমাদের অল্পের উপর দিয়ে বিপদ কাটিয়ে নিলেন । আমরা পরে পরিচিত হয়ে জানতে পারলাম ওনি মামার ক্লাশমেট ফেন্ড । ওনাদের সবাইকে ধন্যবাদ দিয়ে আমারা বাড়ির দিকে রওনা হলাম । ❤️ 😂 😮 😢
আমি আর সাহিল অটোরিকশা করে চলে যাব । আর মামা সাহিলের বাইক নিয়ে পরে ফিরবেন । কারণ বাইকে মনে হয় হালকা কিছু প্রবলেম হয়েছে । সাহিলকে দেখছি এই পা নিয়ে কোথায় যেন যাচ্ছে । আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম,, ❤️ 😂 😮 😢
----- এই তুমি এই অবস্থায় কোথায় যাচ্ছ ? ❤️ 😂 😮 😢
----- কোথায় যাচ্ছি মানে কি ? শ্বশুরবাড়ি বিয়ের পর প্রথম যাচ্ছি খালি হাতে যাব নাকি । আমার একটা মানসম্মান আছেনা । ❤️ 😂 😮 😢
আমি মনে মনে বলি, মানসম্মানের কাঁথায় আগুন । নগদে হাটতে কষ্ট হচ্ছে । আর ওনি শ্বশুড়বাড়িতে কি নিয়ে যাবেন সেই চিন্তায় আছেন । আমি রাগ করে সাহিল কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমি নিজে মিষ্টি, ফলমূল আর পিচ্চি দুটোর জন্য চকলেট, চিপস, আইসক্রীম এসব কিনলাম । কারণ আমার বর এক এক করে সব জিনিষের নাম বলে দিয়েছে । না কিনলে দেখা যাবে ওনি আবার দৌড় মারবেন কেনার জন্য । সাহিল আমাকে বলছে, ❤️ 😂 😮 😢
----- আরে বাহ্ মিষ্টি তুমি তো ভালই কেনাকাটা করতে পারো । ❤️ 😂 😮 😢
----- এসব কেনাকাটা তো অন্ধলোক ও করতে পারবে । ❤️ 😂 😮 😢
---- রাগ করছো কেন ? ❤️ 😂 😮 😢
---- রাগ করব না । তুমি নিজের দিকে খেয়াল না করে । আজাইরা বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছো । ❤️ 😂 😮 😢
---- আল্লহর অশেষ রহমতে আমার খেয়াল রাখার জন্য তুমি তো আছোই । ❤️ 😂 😮 😢
আমি আর কিছুই বললাম । সারা রাস্তায় শুধু আল্লহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলাম । তিনি আজ কত বড় বিপদ থেকে দুজকে বাঁচিয়ে নিয়ে এলো । এসব কথা ভাবতেই যেন গায়ের লোম কাটা দিয়ে উঠছে । সত্যি বাঁচানের মালিক শুধু আল্লহ । ❤️ 😂 😮 😢
এখন ভাবছি সাহিলদের বাড়িতে কি বা বলবো । আর আম্মু ওরা দেখলে কি রিএক্ট করবে তা আল্লহ মালুম । ভাবতে ভাবতে বাড়ির সামনে এসে গাড়ি থামলো । তুষারকে দেখছি ও কেবল বাসার ভিতরে ঢুকবে । আমি তুষারকে পিছন থেকে ডাক দিতেই ও ফিরে তাকালো । আমার ব্যাগটা গেটের সামনে রেখেই দৌড়ে আমাদের কাছে আসলো । তুষার আস্তে করে সাহিলকে নামিয়ে বাড়ির ভিতরে গেল । এখন আমি কি করব ? আমার হাতে একগাদা জিনিষ । আবার আমার ব্যাগ সব মিলিয়ে কি অবস্থা । পরে দেখছি পাশের বাড়ির এক মামাতো ভাই আমাকে হেল্প করার জন্য এগিয়ে আসলো । ❤️ 😂 😮 😢
ঘরে ঢুকেই দেখছি আমার নানু কান্নাকাটি জুড়ে দিয়েছে । মামী তাড়াতাড়ি করে আমার কাছ থেকে জিনিসপত্রগুলো নিলো। তুষার দেখছি সাহিলকে আমার বিছানায় শুয়ে দিয়েছে । সাহিলকে দেখে আমার এত কষ্ট লাগছে কি বলবো । বেশ ভালই জখম হয়েছে । ওর প্যান্টা খুব বাজে ভাবে ছিড়ে গিয়েছে । মনে হচ্ছে শক্ত প্যান্টের কারণেই আরও বেশি জখম হয়েছে । ❤️ 😂 😮 😢
জানিনা সেরে উঠতে কতদিন লাগবে । আমি বোরকা খুলে শরীরে বড় একটা ওড়না জড়িয়ে নিলাম । মামী দেখছি আমাদের জন্য ঠান্ডা শরবত নিয়ে এসেছে । আমি সাহিলকে শরবত খাওয়াতে যাচ্ছি । তখন ওনি বলছেন, ওনার ডান একদম সুস্থ । এজন্য ওনি নিজেই খেতে পারবেন । আমি কথা না বাড়িয়ে শরবতটা সাহিলকে খাইয়ে দিলাম । আর মনে মনে বলছি, না খাইয়ে দিলেও তো বলবে, বউ বরের কোন যত্ন করে না । ❤️ 😂 😮 😢
তুষার রুমে এসে সাহিল আর আমাকে জিজ্ঞেস করলো কি করে এক্সিডেন্ট হল । আমি তুষারকে সব ঘটনা খুলে বললাম । তুষার রেগে সাহিকে বলছে,,, ❤️ 😂 😮 😢
তুষার ঃ জানেন ভাইয়া বাচ্চা, মহিলা মানুষ, বুড়া লোক আর গরু ছাগল এরা আগে থেকে রাস্তা পার হবে না । যখনি গাড়ি সামনে আসবে তখনি এদের রাস্তা পার হতে হয় । এদের জন্য যত এক্সিডেন্ট হয় । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল ঃ তুষার তুমি একদম খাঁটি সত্যি কথা বলছো । এদের আক্কেল জ্ঞান সত্যি খুব কম । ❤️ 😂 😮 😢
আমি ঃ এই এর মাঝে মহিলা মানুষকে টানছিস কেন ? মহিলা মানুষ তোদের কি করছে রে ? ❤️ 😂 😮 😢
তুষার ঃ কি আবার করবে ? কথা না বার্তা নাই যখন তখন রাস্তার মাঝখানে চলে আসে । ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল ঃ আর বলো না । আমি তো প্রায় ১৩-১৪ বছর যাবত বাইক চালাই । যতবার আমার বাইক এক্সিডেন্ট হতে হতে বেঁচে গিয়েছে । ততবার আমার বাইকের সামনে এরাই ছিল । ❤️ 😂 😮 😢
তুষার ঃ আপু শোন যতই বলিস না কেন ? তোরা মেয়েরা না সব সময় হঠাৎ করেই মাঝ রাস্তায় চলে আসিস। ❤️ 😂 😮 😢
আমি ঃ হয়েছে হয়েছে আর মেয়েদের নিয়ে পি.এইচ.ডি করতে হবে না । যে কাজ করত এসেছিস, সেই কাজ কর । ❤️ 😂 😮 😢
তুষার সাহিলকে কাপড় চেঞ্জ করতে বলতেছে । কারণ রক্ত শুকিয়ে গেলে কাপড় খুলতে কষ্ট হবে । তুষার সাহিলের হাতে লুঙ্গি দিয়ে লুঙ্গী পড়তে বলল । আমি আর সাহিল দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে আছি আর মিটিমিটি হাসছি । কারণ আমি জানি তো, সে লুঙ্গি পড়তে পারে না । তুষার সাহিলকে বলছে যে, এ সময় ওর প্যান্ট পড়ে থাকা ঠিক হবে না । কারণ হাটুর নিচে যে জায়গায় কেটে গিয়েছে । তাতে ওর সমস্যা হবে । আমি এজন্য তুষারকে বললাম,,, ❤️ 😂 😮 😢
আমি ঃ ভাই তোর কাছে বেল্টওয়ালা লুঙ্গি থাকলে সেইটা নিয়ে আয় । এটা পড়া ওর দ্বারা হবে না । ❤️ 😂 😮 😢
তুষার হেসে জবাব দিল,, ❤️ 😂 😮 😢
আপুরে ভাইয়াকে বরং এক কাজ করতে বল । লুঙ্গি পড়ে বেল্ট পড়তে বল । আর তা যদি না পারে , তবে আমার থ্রী কোয়ার্টার প্যান্ট পড়তে বল । ❤️ 😂 😮 😢
আমি মনে মনে বলি তোর প্যান্ট বেচারার মাজা থেকে খুলে আসবে । কোথায় ৩২ আর ৩৮ । সাহিল তো রাগে শুধু লুচির মত ফুলছে । আর বলছে, ❤️ 😂 😮 😢
সাহিল ঃ এই বল তো, তুমি আমাকে কি ভাবো ? আমি লুঙ্গী পড়তে পারি না । অভ্যাস নেই বলে একটু অসুবিধা হয় । ❤️ 😂 😮 😢
এই বলে সাহিল লুঙ্গী পড়ে নিলো । তুষার দুষ্টুমী করে বলল, ভাইয়া সাবধানে থেকো । আরবাজ আর আবরার কিন্তু বেশ ডেঞ্জারাস । যদি ভুল করে টান মারে তখন বুঝবে। পাজি দুটোর নাম নিতেই পাজি দুটো হাজির । বিকালে দুটো ঘুমিয়ে ছিল । এজন্য এ দুটোর কোন সারা শব্দ ছিল না । দুটো সাহিলকে দেখে হাসছে আর বলছে, দুলু ভাইরা কি নুঙ্গী পলে । সাহিল হেসে উত্তর দিল, ভাইরে ঠ্যালায় পড়লে মাঝে মাঝে পড়ে । ❤️ 😂 😮 😢
মাগরিবের আযান পড়ছে । আমি সাহিলকে চেয়ারে বসে নামায পড়তে বললাম । আর আমিও নামায পড়ে দুরাকাত শুকরানের নামায পড়ে নিলাম । আল্লহ আমাদের যে বিপদ থেকে রক্ষা করছে । তার শুকরিয়া দিনরাত করলেও শেষ হবে না । ❤️ 😂 😮 😢
আস্তে আম্তে সময় যাচ্ছে আর ব্যাথ্যার জায়গায় টান পড়তেছে । আমার তো হাত পা কেন জানি ব্যাথ্যা করছে । সাহিলের কপালে হাত দিয়ে দেখি শরীরো বেশ জ্বর । জানিনা পায়ের ব্যাথ্যা নিয়ে আল্লাহ রাত দিন কি করে পার করবে । আমাদের বাড়ির সবাই তো সাহিলকে খুব প্রয়োজন ছাড়া বিছানায় নামতে দিচ্ছে না । আর আমার উপর কড়া ওয়াডার আমি যেন সাহিলের কাছ ছেড়ে একদম না সরি । মনে মনে বলি, আমার বর এমনটাই চায় । যাকে বলে, সোনার উপর সোহাগা । ❤️ 😂 😮 😢
এশারের নামায পড়ে সাহিলকে খাবার খাইয়ে ঔষুধ খাইয়ে দিলাম । আর আমার মামী আমাকে খাইয়ে দিল । সত্যি সাহিল আসার পর থেকে আমার প্রতি সবার যত্ন কমে গিয়েছে । বিয়ের পর আমার বাড়িতে আমি মেম্বার আর পরের পোলা হয় চেয়ারম্যান । আমি বুঝিনা সবাই জামাইদের এত আদর যত্ন করে । তবে জামাই বাড়ির লোকেরা বউকে এত আদর যত্ন করে না কেন ? মনে জামাইরা বছরে দুএকবার আসে তো আর বউরা তো সারাজীবনের জন্য থাকে । এজন্য জামাইদের আদর শ্বশুড়বাড়িতে একটু বেশি । ❤️ 😂 😮 😢
রাত ১০ টা বেজে গিয়েছে । ❤️ 😂 😮 😢
রুমে এসে দেখি সাহিল শুয়ে পড়ছে । আমি সাহিলের পায়ের নিচে বালিশ রেখে দিলাম। যাতে করে পা রাখতে ওর সুবিধা হয় । তারপর সাহিলের পায়ে মুভ ক্রীম লাগিয়ে দিলাম । এতে করে ব্যাথা কিছুটা কম লাগবে । তারপর আমি নিয়েও শুয়ে পড়ার জন্য বিছানায় পিঠ রাখলাম। কিন্তু আশ্চর্য বিষয় হচ্ছে, আমি কো ভাবেই বিছানাতে পিঠ রাখতে পারছি না। অসহ্য ব্যাথা অনুভব করছি । এতক্ষণ বেশ ভাল ছিলাম । কিন্তু শোবার পর থেকে যেন পিঠের ব্যাথা বেড়েই চলছে । সাহিলও অসুস্থ ঘুমিয়ে পড়ছে । কাকে বলব বুঝতে পারছিনা আর আমি কি করবো তা বুঝচ্ছি না ? আর কি বা হল আমার ? আম্মুকে বলতে তো আরেক টেনশন করবে । ❤️ 😂 😮 😢
বেশ কিছুক্ষণ ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়লাম । হঠাৎ মাঝ রাতে সাহিলের হাতের স্পর্শে ঘুম ভেঙ্গে যায় । আমি চোখ মেলে তাকিয়ে দেখি সাহিল আমার দিকে অগ্নি দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে । আমি কিছুই বুঝতে পারছিনা এত রাতে রাগের কি হল """"'' ❤️ 😂 😮 😢
♥ ❤️ 😂 😮 😢
♦ ❤️ 😂 😮 😢
চলবে,,,,,,,,,, ❤️ 😂 😮 😢
🎁🎁🎁 ❤️ 😂 😮 😢
♦ ❤️ 😂 😮 😢